September 3, 2026, 11:22 pm

উহানে করোনার উৎস খুঁজে পায়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

উহানে করোনার উৎস খুঁজে পায়নি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনাভাইরাসের উৎস খুঁজতে চীনের উহানে যাওয়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বিশেষজ্ঞ দল বলছে, প্রাণঘাতী ভাইরাসটির উৎস ‘অচিহ্নিত থেকে গেছে’। কোন প্রাণী থেকে মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব ঘটেছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

একই সঙ্গে ২০ লাখের বেশি মানুষের প্রাণ কেড়ে নেওয়া করোনা উহানের একটি ল্যাব থেকে ছড়ানোর আশঙ্কাও নেই বলে জানাচ্ছে চীন সফররত টিম। আলজাজিরা।

ডব্লিউএইচও’র খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রাণী রোগ বিশেষজ্ঞ পিটার বেন এমবারেক মঙ্গলবার উহান সফর সমাপ্তির সময় এসব তথ্য দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক অনুসন্ধান বলছে-করোনা ছড়ানোর মধ্যস্থতাকারী হোস্ট কোনো প্রাণী। তবে এটি সুনির্দিষ্ট করার জন্য আরও গবেষণার দরকার।’

করোনার উৎস চিহ্নিত করার জন্য ৩৪ সদস্যের বিশেষজ্ঞ টিম চীনের উহানে যায়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সেখানে মানবদেহে প্রথম করোনাভাইরাস চিহ্নিত হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রথম শনাক্ত চিহ্নিতের আগে কিছু সার্স-কোভ-২ আক্রান্তের স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো নিয়ে আরও বিস্তারিত গবেষণা করা হবে।

রাশিয়ায় করোনা টিকা নিতে আইসক্রিমের লোভ দেখাচ্ছে সরকার : করোনার টিকা নিতে চাইছে না দেশের বেশিরভাগ মানুষ। পরিসংখ্যান বলছে, রাশিয়ার মাত্র ৩৮ শতাংশ মানুষ টিকা নিতে রাজি হয়েছেন। আর তাতেই চিন্তায় পড়েছে দেশটির সরকার।

দেশবাসীকে টিকা নিতে রাজি করাতে তাই সচেতনতা সৃষ্টির পাশাপাশি নানা উপায় অবলম্বন করছে। এমনকি টিকা নিলে মজাদার আইসক্রিম দেওয়া হবে বলেও লোভ দেখাচ্ছে প্রশাসন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন জোরকদমে চলছে করোনা টিকাদান কর্মসূচি। তবে এই টিকা নেওয়ার ব্যাপারে রাশিয়ার বেশিরভাগ মানুষ অনিচ্ছুক। আর তাতেই সমস্যায় পড়েছে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রশাসন। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে, করোনা টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ।

তবুও সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে পারছে না রাশিয়ার সরকার। প্রধানত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ভয়েই টিকা নেওয়ার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করছে রাশিয়ার বেশির ভাগ মানুষ, এমনটাই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। স্পুটনিকের টিকা নিয়ে বারবার নানাভাবে সচেতনতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে সরকার।

বলা হচ্ছে, এই টিকা নেওয়ার পর কারও শরীরে গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। আর এবার অনিচ্ছুক মানুষকে ভ্যাকসিন সেন্টারে নিয়ে আসতে প্রলোভন দেখাতে শুরু করেছে রাশিয়ার প্রশাসন।

ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, নাগরিকদের টিকা নিতে উৎসাহিত করতে এক অদ্ভুত কৌশল নিয়েছে রাজধানী মস্কোর একটি সেন্টার। টিকা নিতে আসা মানুষদের আইসক্রিম খাওয়ানো হবে বলে প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে তারা।

বিশ্বে সর্বপ্রথম টিকাদান শুরু হয় রাশিয়াতেই। নিজেদের দেশে তৈরি স্পুটনিক-ভি টিকা দিচ্ছে তারা। শুরুতে বিতর্কের মধ্যে থাকা রাশিয়ার স্পুটনিক-ভি টিকা কোভিড-১৯’র বিরুদ্ধে ৯২ শতাংশের মতো সুরক্ষা দিচ্ছে, যা এর তৃতীয় ধাপের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে উঠে আসে।

বিশ্বখ্যাত মেডিকেল জার্নাল ল্যানসেটের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই টিকা নিরাপদ বলে প্রতীয়মাণ হয়েছে এবং এটা ভাইরাস আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাণহানি থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে সক্ষম। তৃতীয় ধাপের পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই রাশিয়া টিকাটি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়ায় তা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়েছিল।

তবে এখন বিজ্ঞানীরা বলেছেন, স্পুটনিক-ভি টিকার সুফল দেখা গেছে। ফলে ফাইজার, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মর্ডানা ও জনসেনের মতো পরীক্ষিত টিকার তালিকায় স্পুটনিক-ভি এখন যুক্ত হয়।

বিজনেস নিউজ/এসআর

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com