October 27, 2026, 12:41 pm
মাত্রই ফাইনালে হেরে এসেছে দল। ম্যানচেস্টার সিটি খেলোয়াড় রাহিম স্টার্লিং আর কাইল ওয়াকারের দুর্ভোগ শেষ হয়নি সেখানেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও হয়েছেন বর্ণবাদের শিকার।
এস্তাদিও দ্রাগাওয়ে তখন কেবল শেষ বাঁশিটা বেজেছে। সিটির হার নিশ্চিত হতেই যেন রীতিমতো হামলাই হয়ে গেল দুই সিটি খেলোয়াড়ের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে। পুরনো সব পোস্টের মন্তব্যে বানর ইমোজি ব্যবহার করে একদল বর্ণবিদ্বেষী।
স্টার্লিংয়ের অবশ্য এমন অভিজ্ঞতা নতুন নয়। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে পিএসজির বিপক্ষে জিতেও বর্ণবাদের শিকার হয়েছিলেন তিনি। আর সে ঘটনাটা ঘটেছিল যখন পুরো ইউরোপীয় ক্রীড়া জগত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার ঠিক পরই।
গেল মাসে সিটির কারাবাও কাপ জয়ের পর ওয়াকার বর্ণবাদের শিকার হন। এরপর সে ঘটনাটা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে এসে জানান অনুসারীদের। তিনি লিখেন, ‘এটা কখন শেষ হবে?’
স্টার্লিং আর ওয়াকারের প্রতি এই বর্ণবিদ্বেষী আচরণ এমনই এক সময় এল, যখন তাদেরই আরেক জাতীয় দল সতীর্থ মার্কাস র্যাশফোর্ড বর্ণবাদের শিকার হওয়ার অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানান, ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হারের পর অন্তত ৭০টা বর্ণবাদী মন্তব্যের শিকার হয়েছেন তিনি।
তার সতীর্থ ডেভিড ডি হেয়াও এ ধরণের সাইবার বুলিয়িংয়ের শিকার হয়েছেন। বৃহত্তর ম্যানচেস্টার পুলিশ অবশ্য এ নিয়ে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সর্বশেষ ঘটনার পর থেকে এখন পর্যন্ত অবশ্য এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি সিটি কর্তৃপক্ষ।