April 19, 2026, 2:01 pm
পর্যবেক্ষণ কমিটির সুপারিশকে পাশ কাটিয়ে ভুল ট্রেডিং প্লাটফর্ম ব্যবহারের কারণে বারবার কারিগরি ত্রুটিতে পড়ছে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের(ডিএসই) ওয়েবসাইট। বিদ্যমান অবস্থা থেকে উত্তরণে ক্রিটিক্যাল সিস্টেমের জন্য বিকল্প ডাটা সেন্টার রাখতে বলা হয়েছে।
রোববার(২৭সেপ্টেম্বর)বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কনফারেন্স কক্ষে ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদকে এসব কথা জানিয়েছে কমিশন।
কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল- ইসলামের নেতৃত্বে বৈঠকে এ সময় চার কমিশনার ও বিএসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডিএসইর চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মুহাম্মদ ইউনূসের রহমানের নেতৃত্বে দুই শেয়ারহোল্ডার পরিচালক এবং স্বতন্ত্র পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও ডিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক(এমডি) কাজী ছানাউল হক উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে ডিএসইর চেয়ারম্যান মো. ইউনুসুর রহমান অর্থসূচককে বলেন, কমিশনের সঙ্গে ডিএসইর প্রথম পর্ষদ সভা হয়েছে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কমিশন আমাদেরকে আইটি বিভাগের ভবিষ্যৎ কাজ নিয়ে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন।সব সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এর কথা বলেছেন এবং নতুন করে ডাটা সেন্টার চালুর কথা বলেছেন।
ডিএসইর এমডি বলেন,কমিশন ডিএসইর আইটি বিভাগের সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন।আইটি বিভাগের উইক পয়েন্ট গুলো তুলে ধরেছেন।দ্রুত আইটিকে শক্তীশালী করতে বলেছেন।
নাম না প্রকাশের শর্তে ডিএসইর একাধিক পরিচালক বলেন, ২০১৩ সালে যখন ডিএসইর ট্রেডিং সিস্টেম (অর্থাৎ ওএমএস সফটওয়্যার) কেন হয়।তখন ডিএসইর পর্যবেক্ষণ কমিটির সুপারিশকে পাশ কাটিয়ে ভোটাভুটির মাধ্যমে এক নম্বর দরদাতার প্রস্তাবকে বাদ দিয়ে ডিএসই’র ট্রেডিং প্লাটফর্ম ঠিকানা হয়েছে।
ডিজাইন স্টাডি না করেই নেওয়া হয়েছে।আইটি সঙ্গে যুক্ত নয় এমন ব্যক্তিকে কনসালটেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে।সর্বোপরি আইটি রিলেটেড লোককে না নিয়ে বিজনেস ব্যাকগ্রাউন্ডের লোককে দিয়ে ভেন্ডার এর কাছ থেকে কাজ বুঝিয়ে নিয়েছে।
ফলে তারা সঠিকভাবে ভেন্ডার এর কাছ থেকে কাজ বুঝে নিতে পারেনি। এর ফলে ডিএসইর ওয়েবসাইটে বারবার দুটি হচ্ছে। ডিএসইর সর্বনাশ হচ্ছে।
পরিচালকরা বলেন, কমিশন ডিএসইর আইটি বিভাগের দক্ষতা বড়াতে বলেছে।বিদেশি ভ্যানডার কাছে না গিয়ে নিজেরাই ওয়েবসাইট তৈরি করতে বলেছে।
যদিও বিদেশি ভেন্ডার এর কাছে যেতে হয়।ভেন্ডার এর কাছ থেকে প্রকৃত তথ্য জেনে এরপর নিজেরাই তৈরি করবে। তার জন্য আইটি বিভাগকে প্রশিক্ষিত করতে হবে।
একই সঙ্গে ইনভেস্টর কিংবা সাধারণ মানুষ যাতে সহজে ডিএসইর ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারে।সহজে যাতে সকল ধরনের তথ্য পাওয়া যায়।নতুন করে আর জাতির ত্রুটি না হয়। সে জন্য আরেকটি ডাটা সেন্টার চালু রাখতে হবে।