April 30, 2026, 8:16 pm
পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের পথ আরও সহজ করতে ব্রোকারহাউজে নগদ টাকা জমা দেওয়ার গ্রহণোগ্য সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে। বর্তমানে নগদে সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা দেওয়া যায়। এরচেয়ে বড় অঙ্কের টাকা জমা দিতে হলে চেকের মাধ্যমে দিতে হয়। ডিবিএ নগদে জমা দেওয়ার গ্রহণযোগ্য সীমা ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব দিয়েছে।
আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) এই সুযোগ চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে তারা।
বিএসইসির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্রোকারেজ হাউজ তার বিনিয়োগকারীর নিকট থেকে সিকিউরিটিজ ক্রয় বাবদ একদিনে নগদ ৫ লাখের বেশি টাকা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সিকিউরিটিজ আইনে নিষেধাজ্ঞাসহ শাস্তির বিধান রয়েছে। উক্ত বিধানটি দীর্ঘ বছর থেকে প্রচলিত হয়ে এখনও অব্যাহত রয়েছে। যা বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারদের ব্যবসা তথা পুঁজিবাজার উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করে আসছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ২ বছর আগে ব্যাংকে নগদে লেনদেনের সীমা ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু পুঁজিবাজারে এই সীমা বাড়ানো হয়নি।
চিঠিতে ডিবিএ বলেছে, ৫ লাখ টাকার অধিক নগদ অর্থ গ্রহনের নিষেধাজ্ঞা থাকায় একদিকে বিনিয়োগকারী তার কাঙ্খিত শেয়ার নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট দরে কিনতে ব্যর্থ হয়ে বিনিয়োগে বিরক্ত হয়ে শেয়ার ক্রয়ে তার আগ্রহ হারাচ্ছে। অন্যদিকে ব্রোকারেজহাউজ ৫ লাখ টাকার বেশী নগদ অর্থ গ্রহণ না করতে পেরে বিনিয়োগকারীর চাহিদা মাফিক শেয়ার কিনে দিতে না পারায় তাদের দৈনিক লেনদেন হ্রাস পেয়ে কমিশন আয়ে ঘাটতি তৈরী হচ্ছে। যে কারণে বিনিয়োগকারী ও ব্রোকারেজহাউজ- উভয়েই ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বর্তমান বাজার মূলধন, বাজারের গতি, প্রকৃতি, ধরণ, আকার, ব্যপ্তি, বিনিয়োগকারীর ধরণ, সামর্থ্য, অর্থ আয়ের উৎস ও প্রবাহ, দেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, মানদন্ড, আকারসহ জনগনের অর্থ সামর্থ্যরে যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে, বিনিয়োগকারী থেকে ব্রোকারেজ হাউজ নগদ অর্থ গ্রহণে বিদ্যমান ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ১০ লাখ টাকায় উন্নীত করার বিষয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে ডিবিএ।