August 28, 2026, 3:39 pm

লিটনের নান্দনিকতা ও মুমিনুলের দৃঢ়তায় দারুণ এক সেশন

লিটনের নান্দনিকতা ও মুমিনুলের দৃঢ়তায় দারুণ এক সেশন

কাইলে জেমিসনের বলে লিটন দাসের নান্দনিক ড্রাইভে তিন রান। সেশনের প্রথম বলেই যে ইঙ্গিত, পরের সময়টায় সেটি রূপ পেল পূর্ণতার। প্রথম সেশনের সব অস্বস্তি আর জড়তা পরের সেশনে গেল মিলিয়ে। লিটনের চোখ জুড়ানো সব শটের মহড়া আর মুমিনুল হকের চোয়ালবদ্ধ দৃঢ়তায় নিউ জিল্যান্ডকে হতাশ করে বাংলাদেশ কাটাল দুর্দান্ত এক সেশন।

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের তৃতীয় দিনের চা বিরতির সময় বাংলাদেশের রান প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটে ৩০৭। আর মাত্র ২২ রান করলেই ধরা দেবে লিড।

মুমিনুল ও লিটনের সৌজন্যে গোটা সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে রান উঠেছে ২৬ ওভারে ৮৭।

৬১ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন মুমিনুল, ৫১ রান নিয়ে তার সঙ্গী লিটন। পঞ্চম উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটির রান ১০৪।

প্রথম সেশনে নিউ জিল্যান্ডের বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে ২৬ ওভারে আসে ২ উইকেট হারিয়ে স্রেফ ৪৫ রান। আগের দিন ৭০ রানে অপরাজিত মাহমুদুল হাসান জয়কে ৭৮ রানে হারায় বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় নতুন বলে ট্রেন্ট বোল্ট বোল্ড করে দেন মুশফিকুর রহিমকে (৫৩ বলে ১২)।

৮ রানে জীবন পেয়ে ও ৯ রানে ক্যাচ দিয়েও নো বল হওয়ায় বেঁচে গিয়ে মুমিনুল সেশনটি শেষ করেছিলেন কোনোরকমে। গোটা সেশনে করেছিলেন ৭২ বলে ৯ রান। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ অধিনায়ক খেলেন দুর্দান্ত। আরেক প্রান্তে লিটন তো শুরু থেকেই ছিলেন আত্মবিশ্বাসী।

সেশনের প্রথম ৫ ওভারেই ৩১ রান তোলে বাংলাদেশ। এই সময়ে তিনটি চার মারেন মুমিনুল, দুটি লিটন।

লিটন পরে নান্দনিক কিছু ড্রাইভ ও পুল শটে ছাড়িয়ে যান মুমিনুলের রান।

সময়ের সঙ্গে ছন্দ পান মুমিনুলও। তার প্রথম ১০০ বলে বাউন্ডারি ছিল স্রেফ ১টি। পরের ৩৮ বলের মধ্যে বাউন্ডারি মারেন আরও ৭টি!

নিউ জিল্যান্ড পরে বোলিংয়ের কৌশল বদলে শরীর সোজা শর্ট বল ও আঁটসাঁট লেংথে বল করতে থাকে লিটনকে। তিনিও ধৈর্য ধরে খেলার ধরন বদলে আঁকড়ে রাখেন উইকেট। আরেক পাশ থেকে আগে ফিফটিতে পৌঁছান মুমিনুল।

১৪৭ বলে হাফসেঞ্চুরিতে পা রাখেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, তার ক্যারিয়ারে যা সবচেয়ে ধীরগতির ফিফটি।

তার মনোযোগ নাড়িয়ে দিতে শুধু একের পর এক শর্ট বলই নয়, স্লেজিংয়ের পথ বেছে নেন ওয়্যাগনার। মুমিনুল শুরুতে এড়িয়ে গেলেও পরে কিছুটা যোগ দেন কথার লড়াইয়ে। তবে মনোযোগে চিড় তার ধরেনি।

লিটনের রান প্রথম ৪৫ বলে ছিল ৪১। সেখান থেকে ফিফটিতে পৌঁছান তিনি আরও ৪৮ বল খেলে। গতবছর টেস্টে অসাধারণ পারফর্ম করা ব্যাটসম্যান নতুন বছরও শুরু করলেন সেখান থেকেই।

দুই ব্যাটসম্যানের সামনেই এখন হাতছানি বড় ইনিংসের। বাংলাদেশের সামনে সম্ভাবনা লিড নিয়ে আরও অনেক দূর এগোনোর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (চা বিরতি পর্যন্ত):

নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৩২৮

বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: (আগের দিন ১৭৫/২) ১১৯ ওভারে ৩০৭/৪ (মাহমুদুল ৭৮, মুমিনুল ৬১*, মুশফিক ১২, লিটন ৫১*; সাউদি ২৪-২-৭২-০, বোল্ট ২৫-৮-৫৮-১, জেমিসন ২৩-৮-৫৭-০, ওয়্যাগনার ৩১-৮-৭২-৩, রবীন্দ্র ১৬-৩-

কাইলে জেমিসনের বলে লিটন দাসের নান্দনিক ড্রাইভে তিন রান। সেশনের প্রথম বলেই যে ইঙ্গিত, পরের সময়টায় সেটি রূপ পেল পূর্ণতার। প্রথম সেশনের সব অস্বস্তি আর জড়তা পরের সেশনে গেল মিলিয়ে। লিটনের চোখ জুড়ানো সব শটের মহড়া আর মুমিনুল হকের চোয়ালবদ্ধ দৃঢ়তায় নিউ জিল্যান্ডকে হতাশ করে বাংলাদেশ কাটাল দুর্দান্ত এক সেশন।

মাউন্ট মঙ্গানুই টেস্টের তৃতীয় দিনের চা বিরতির সময় বাংলাদেশের রান প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেটে ৩০৭। আর মাত্র ২২ রান করলেই ধরা দেবে লিড।

মুমিনুল ও লিটনের সৌজন্যে গোটা সেশনে কোনো উইকেট হারায়নি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে রান উঠেছে ২৬ ওভারে ৮৭।

৬১ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন মুমিনুল, ৫১ রান নিয়ে তার সঙ্গী লিটন। পঞ্চম উইকেটে দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটির রান ১০৪।

প্রথম সেশনে নিউ জিল্যান্ডের বোলারদের দারুণ বোলিংয়ে ২৬ ওভারে আসে ২ উইকেট হারিয়ে স্রেফ ৪৫ রান। আগের দিন ৭০ রানে অপরাজিত মাহমুদুল হাসান জয়কে ৭৮ রানে হারায় বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় নতুন বলে ট্রেন্ট বোল্ট বোল্ড করে দেন মুশফিকুর রহিমকে (৫৩ বলে ১২)।

৮ রানে জীবন পেয়ে ও ৯ রানে ক্যাচ দিয়েও নো বল হওয়ায় বেঁচে গিয়ে মুমিনুল সেশনটি শেষ করেছিলেন কোনোরকমে। গোটা সেশনে করেছিলেন ৭২ বলে ৯ রান। কিন্তু দ্বিতীয় সেশনে বাংলাদেশ অধিনায়ক খেলেন দুর্দান্ত। আরেক প্রান্তে লিটন তো শুরু থেকেই ছিলেন আত্মবিশ্বাসী।

সেশনের প্রথম ৫ ওভারেই ৩১ রান তোলে বাংলাদেশ। এই সময়ে তিনটি চার মারেন মুমিনুল, দুটি লিটন।

লিটন পরে নান্দনিক কিছু ড্রাইভ ও পুল শটে ছাড়িয়ে যান মুমিনুলের রান।

সময়ের সঙ্গে ছন্দ পান মুমিনুলও। তার প্রথম ১০০ বলে বাউন্ডারি ছিল স্রেফ ১টি। পরের ৩৮ বলের মধ্যে বাউন্ডারি মারেন আরও ৭টি!

নিউ জিল্যান্ড পরে বোলিংয়ের কৌশল বদলে শরীর সোজা শর্ট বল ও আঁটসাঁট লেংথে বল করতে থাকে লিটনকে। তিনিও ধৈর্য ধরে খেলার ধরন বদলে আঁকড়ে রাখেন উইকেট। আরেক পাশ থেকে আগে ফিফটিতে পৌঁছান মুমিনুল।

১৪৭ বলে হাফসেঞ্চুরিতে পা রাখেন বাংলাদেশ অধিনায়ক, তার ক্যারিয়ারে যা সবচেয়ে ধীরগতির ফিফটি।

তার মনোযোগ নাড়িয়ে দিতে শুধু একের পর এক শর্ট বলই নয়, স্লেজিংয়ের পথ বেছে নেন ওয়্যাগনার। মুমিনুল শুরুতে এড়িয়ে গেলেও পরে কিছুটা যোগ দেন কথার লড়াইয়ে। তবে মনোযোগে চিড় তার ধরেনি।

লিটনের রান প্রথম ৪৫ বলে ছিল ৪১। সেখান থেকে ফিফটিতে পৌঁছান তিনি আরও ৪৮ বল খেলে। গতবছর টেস্টে অসাধারণ পারফর্ম করা ব্যাটসম্যান নতুন বছরও শুরু করলেন সেখান থেকেই।

দুই ব্যাটসম্যানের সামনেই এখন হাতছানি বড় ইনিংসের। বাংলাদেশের সামনে সম্ভাবনা লিড নিয়ে আরও অনেক দূর এগোনোর।

সংক্ষিপ্ত স্কোর (চা বিরতি পর্যন্ত):

নিউ জিল্যান্ড ১ম ইনিংস: ৩২৮

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com