August 24, 2026, 10:47 pm

পেরুকে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল

পেরুকে হারিয়ে ফাইনালে ব্রাজিল

লুকাস পাকুয়েতায়ের গোলেই জয় লাভ করল ব্রাজিল। সহযোগী ছিলেন অবশ্য হেইমার। ১-০ গোলে পেরুকে হারিয়ে নেইমার-লুকাসরা এখন ফাইনালে।

দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলকে ঠিক ‘ব্রাজিলের’র মত মনে হলো না। একক আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছে পেরু। বরং পুরো দ্বিতীয়র্ধে পেরুর আক্রমণ ঠেকাতেই ব্যস্ত ছিলো ব্রাজিলের রক্ষণভাগ। গোলরক্ষক এডারসন দৃঢ়তা দেখাতে না পারলে হয়তো বিদায়ই নিতে হতো ব্রাজিলকে।

আসলে দুর্ভাগ্য পেরুরই। একের পর এক আক্রমণ আর গোলে শট নিয়েও বল জড়াতে পারলো না ব্রাজিলের জালে। উল্টো প্রথমার্ধে করা একমাত্র গোল দিয়েই পেরুকে বিদায় করে টানা দ্বিতীয়বারের মত কোপা আমেরিকার ফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিল।

সেই লুকাস পাকুয়েতার গোলেই জয় নিশ্চিত হলো সেলেসাওদের। কোয়ার্টার ফাইনালে চিলির বিপক্ষে যখন গোল পাচ্ছিল না ব্রাজিল, তখন এই লুকাস পাকুয়েতাই মাঠে নেমে গোল করে জেতালেন দলকে।

এবার গ্যাব্রিয়েল হেসুসের লাল কার্ড থাকার কারণে তিনি খেলতে পারছেন না সেমিফাইনালে। এ কারণে পাকুয়েতাকে দিয়েই সেমিফাইনালের একাদশ সাজান ব্রাজিলে কোচ তিতে।

সেই পাকুয়েতাই খুললেন পেরুর গোলের তালা খুললেন। ৩৪ মিনিটে নেইমারের অসাধারণ একটি পাস থেকে বাম পায়ের দুর্দান্ত শটে পেরুর জালে বল জড়িয়ে দেন লুকাস পাকুয়েতা। পেরুর বিপক্ষে এই এক গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে গেলো ব্রাজিল।

তবে প্রথমার্ধের স্কোরশিট দেখলে কোনোভাবেই ব্রাজিল কতটা প্রভাব বিস্তার করে খেলেছে তা বোঝা যাবে না। পেরুর গোলরক্ষক গ্যালাসে বারবার কঠিন দেয়ালের মত দাঁড়িয়ে না গেলে গোল হতে পারতো আরো কয়েকটি।

খেলার ৬ষ্ঠ মিনিটের মাথায় রেনান লোদির ক্রস বিপদ ডেকে আনার আগেই মাঠের বাইরে বের করে দেন কোরজো। কর্ণার পেয়ে যায় ব্রাজিল। ৮ম মিনিটেই গোলের দারুণ সুযোগ তৈরি হয়েছিল। এ সময় লুকাস পাকুয়েতা বল বাড়িয়ে দেন রিচার্লিসনের দিকে। তিনি দুর্দান্ত এক ক্রস করেন নেইমারের দিকে। কিন্তু দারুণ সুযোগ পেয়েও নেইমার সেই বলটি পাঠিয়ে দেন মাঠের বাইরে।

১৩ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক থেকে ক্যাসেমিরোর জোরালো শট সোজা চলে যায় পেরুর গোলরক্ষক গ্যালাসের কাছে। তিনি প্রতিহত করলে গোল বঞ্চিত হয় ব্রাজিল। ১৫ মিনিটের মাথায় রিচার্লিসনের কাছ থেকে বল পেয়ে গোলমুখে শট নেন এভার্টন। কিন্তু তার শট প্রতিহত করে দেন গালেসে।

১৯ মিনিটের মাথায় আরও একটি দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু পাকুয়েতা-নেইমার জুটির বার কয়েক চেষ্টার পরও পেরুর গোলরক্ষককে পরাস্ত করা সম্ভব হয়ি তাদের পক্ষে।

৩৪তম মিনিটে এসে অবশেষে পেরুর গোলের তালা খুললেন নেইমার এবং পাকুয়েতা। বক্সের মধ্যে অন্তত দু’জনকে কাটালেন নেইমার। এরপর বল বাড়িয়ে দিলেন পাকুয়েতার দিকে। বাম পায়ের দারুন শটে সেটি তিনি জড়িয়ে দেন পেরুরর জালে।

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com