October 25, 2026, 4:40 am
২০২৩ সালের ২৬ মে পর্যন্ত সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে বিদেশ থেকে অথবা স্থানীয়ভাবে পণ্য কিনতে পারবে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। বুধবার (২৩ জুন) দুপুরে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।
বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিস্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে অনুমোদিত ক্রয় প্রস্তাবগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শামসুল আরেফিন।
অর্থমন্ত্রী জানান, আজকের অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত সভায় দুটি এজেন্ডা এবং ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভায় ১৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদিত ১৬ প্রস্তাবের মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৩৯ কোটি ৩ লাখ ৩২ হাজার ৮৬৮ টাকা। মোট অর্থায়নের মধ্যে জিওবি হতে ব্যয় হবে ৬৩৫ কোটি ৫৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৩২ টাকা এবং বিশ্বব্যাংক, এডিবি, এএফডি, ইআইবি এবং ডানিডা হতে ঋণ ৪০৩ কোটি ৮৫ লাখ ৫৩ হাজার ৫৩৬ টাকা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. শামসুল আরেফিন জানান, রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবি কর্তৃক নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী পেঁয়াজ, রসুন, মশুর ডাল, ছোলা, মসলা-শুকনা মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনে, জিরা, আদা, হলুদ, তেজপাতা, সরাবিন তেল, পাম ওয়েল, চিনি, লবন (খাবার লবন, বিট লবণ ব্যতিত) আমদানি অথবা স্থানীয়ভাবে ক্রয়ের ক্ষেত্রে সময়সীমা আগামী ২০২৩ সালের ২৬ মে পর্যন্ত ৩ বছর বৃদ্ধির নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে কিছু পণ্য আমদানি করতে হয়, যেটা নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজার স্থিতিশীল থাকে, মানুষের মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় না। সেজন্য গত কয়েক বছর যাবতই পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিএ) ২০০৬ এর ৬৮ (১) ধারার আওতায় এসকল পণ্য সরাসরি ক্রয় করা হচ্ছে। টিসিবি পেঁয়াজ, রসুন, মশুর ডাল, ছোলা, মসলা-শুকনা মরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনে, জিরা, আদা, হলুদ, তেজপাতা, সরাবিন তেল, পাম ওয়েল, চিনি, লবন (খাবার লবন, বিট লবণ ব্যতীত) যখন প্রয়োজন হবে আমাদানি করতে পারবে।’
তিনি অরও বলেন, ‘টিসিবির এসব পণ্য ক্রয়ের জন্য একটা অনুমোদন আগে নিয়ে রাখতে হয়, পরে যখন ক্রয়ের প্রয়োজন হয় তখন পারচেজ কমিটিতে আসবে। কিন্তু অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির (সিসিইএ) মাধ্যমে অনুমোদনটা নিয়ে রাখতে হয়। যাতে যখনই কিনবে তখনই অনুমোদনটা এই কমিটি দিতে পারে।’