May 2, 2026, 5:44 pm

ভ্যাকসিন কিনতে ৪৩১৪ কোটি টাকার প্রস্তাব

ভ্যাকসিন কিনতে ৪৩১৪ কোটি টাকার প্রস্তাব

প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় করোনা ভ্যাকসিন ক্রয় ও সংরক্ষণ বাবদ মোট ৪ হাজার ৩১৪ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার টাকা সংস্থান রাখার প্রস্তাব করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। কিন্তু প্রস্তাবে ভ্যাকসিনের সংখ্যা ও এককমূল্য উল্লেখ করা হয়নি।

তবে ভ্যাকসিন কেনা বাবদ ব্যয় কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করার জন্যস্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে পরামর্শ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ। কোন দেশ থেকে কী উপায়ে কতদিনের মধ্যে ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে, তা কোন নিয়ম অনুসরণ করে প্রদান করা হবে, সে বিষয়ে একটি সমন্বিত ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (আরডিপিপি) সংযুক্ত করা জরুরি বলে মনে করে কমিশন।

২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি-ডিসেম্বরের মধ্যে ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে পরিকল্পনা কমিশনকে অবগত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে কোভ্যাক্স কর্তৃক নির্ধারিত কোন দেশ থেকে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হবে তা এখনো জানা যায়নি।

ভ্যাকসিন কেনা ও সরবরাহে মোট ৪ হাজার ৩১৪ কোটি ৪৯ লাখ ১৭ হাজার টাকার প্রস্তাব করার যৌক্তিকতা জানতে চেয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানায়, ভ্যাকসিন প্রদানের অনুমোদিত নীতিমালা সর্বসাধারণের বোধগম্যভাবে সারসংক্ষেপ আকারে প্রণয়ন এবং ভ্যাকসিনেশন প্রক্রিয়ার একটি সহজবোধ্য ফ্লো-চার্ট ডিপিপিতে সংযুক্ত করতে হবে।

প্রতিটা উপজেলায় ভ্যাকসিন প্রদানের বিষয়ে প্রচারের জন্য ব্যানার, মাইকিং ও প্রকাশনা খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখতে নির্দেশ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

প্রকল্পের আওতায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য একটি করে মোট দুটি মোবাইল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট ভ্যানের সংস্থান রাখতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দ্বৈততা পরিহারপূর্বক গঠিত ১০ শয্যার ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট এবং ১০টি জেলায় মেডিকেল বর্জ্য ব্যাবস্থপনা প্ল্যান্ট স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত ‘কোভিড -১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড প্যানডামিক প্রিপারেডেন্সে প্রথম সংশোধিত প্রকল্পের আওতায় এমন উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে ১৭ ডিসেম্বর প্রকল্পের ওপর প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ভ্যাক্সিন কেনা বাবদ ব্যয়ের যৌক্তিক কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে যৌক্তিক কারণ পাওয়ার পরেই প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে কমিশন।

বিজনেস নিউজ/ এসআর

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com