August 27, 2026, 2:48 pm

লাল ফিতা সংস্কৃতি চিরতরে ভেঙে দেওয়া হবে, ঘুষের নামে ‘স্পিড মানি’ আর চলবে না

লাল ফিতা সংস্কৃতি চিরতরে ভেঙে দেওয়া হবে, ঘুষের নামে ‘স্পিড মানি’ আর চলবে না

লাল ফিতা সংস্কৃতি, ঘুষ ও চাঁদাবাজিমুক্ত একটি ব্যবসাবান্ধব রাষ্ট্র গড়ার অঙ্গীকার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “ঘুষকে ‘স্পিড মানি’ নামে বৈধ করার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, সেটিই শিল্পখাতকে প্রথম ধাক্কা দেয়। নির্ধারিত সময়ে কারখানা চালু করা না গেলেও ব্যাংকঋণের সুদ চলতে থাকে। এতে উদ্যোক্তা শুরুতেই ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই পরিস্থিতি চিরতরে বদলাতে হবে।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরাটন হোটেলে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী আয়োজিত ব্যবসায়ীদের নিয়ে ‘সমৃদ্ধির সংলাপ: বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যের জন্য কৌশলগত ভাবনা’ শীর্ষক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ‘বাংলাদেশের জন্য ব্যবসাবান্ধব অর্থনৈতিক নীতি প্রণয়ন’ কি-নোট প্রেজেন্টেশন করেন নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেস এন্ড ইকোনমির অধ্যাপক ড একেএম ওয়ারেসুল করিম।

সভায় বৈঠকে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন, এ কে আজাদ ও মো. জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল, বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক, বারভিডা সভাপতি আব্দুল হক সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

জামায়াত আমির বলেন, দেশীয় বিনিয়োগকারীরা যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগ আসবে কেন—এই প্রশ্ন রাষ্ট্রকে আগে সমাধান করতে হবে। তহবিলের নিরাপত্তাহীনতা, সম্পদের সুরক্ষার অভাব এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার ঘাটতিকে শিল্প মালিকদের প্রধান তিনটি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেন তিনি।

তিনি অঙ্গীকার করেন, ক্ষমতায় গেলে লাল ফিতা সংস্কৃতি চিরতরে ভেঙে দেওয়া হবে এবং জনগণের আমানতের বোঝা বহন করা কোনো দয়া নয়, বরং রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে। “ক্ষমতায় গিয়ে যেন কারও সম্পদ অস্বাভাবিকভাবে না বাড়ে, আত্মীয়স্বজন যেন রাতারাতি ধনী না হয়—এই সংস্কৃতিও ভাঙতে হবে,” বলেন তিনি।

অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা অর্থ ফেরত আনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্মানের সঙ্গে সেই অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে আহ্বান জানানো হবে। “উদ্দেশ্য কাউকে অপমান করা নয়, বরং জাতির কল্যাণ। যারা অর্থ ফেরত দেবেন, রাষ্ট্র তাদের আরও সম্মান দেবে,” যোগ করেন তিনি।

চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেয়। এই যন্ত্রণা তারা নিজেরাও অনুভব করেন এবং অঙ্গীকার করেন—মানুষকে হালাল রুজির ধারায় ফিরিয়ে আনা হবে। “১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি হাত একত্র করে একটি ঐক্যবদ্ধ জাতি গড়ে তুলতে চাই,” বলেন তিনি।

নারীদের কর্মক্ষেত্র নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা নারীদের কিছু বিশেষ গুণ দিয়েছেন, যা পুরুষদের নেই—সন্তান ধারণ, বুকের দুধ পান করানো ও মাতৃত্বের দায়িত্ব। তাই সমাজে মায়েদের সম্মান নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্তব্য। তিনি বলেন, একজন মা গর্ভধারণ করেন, দুই থেকে আড়াই বছর সন্তানকে দুধ পান করান এবং এরপর আবার আট ঘণ্টার কর্মজীবনে যুক্ত হন। এই সময় তার জন্য স্বস্তিকর কর্মপরিবেশ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, অনেক মা সন্তান রেখে দীর্ঘ সময় বাইরে থাকতে না পেরে চাকরি ছেড়ে দেন। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো এমন ব্যবস্থা করা, যাতে মা কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন এবং সন্তানের ন্যূনতম অধিকার নিশ্চিত হয়। কেউ এক বছর পর কাজে ফিরতে চাইলে বাধা থাকবে না, আবার কেউ দুই বা আড়াই বছর সময় নিলে সেটিও সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করতে হবে।

ব্যাংকিং খাত ও শেয়ারবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই দুই খাতের মধ্যে গভীর আর্থিক সম্পর্ক রয়েছে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে জানান, তিনি যে ব্যাংকের ক্ষুদ্র সদস্য ছিলেন, সেই ব্যাংকই আবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একটি ব্রোকারেজ হাউসের সদস্য ছিল। ফলে ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজারকে একসঙ্গে বোঝার সুযোগ পান তিনি।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ ব্যাংকে টাকা জমা রাখে; কিন্তু উদ্যোক্তা দক্ষতা না থাকায় সেই অর্থ তুলে দেওয়া হয় অভিজ্ঞ ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের হাতে। একসময় বাংলাদেশের অর্থনীতি তুলনামূলকভাবে সুস্থ থাকলেও পরবর্তীতে একের পর এক সংকটে পড়ে শেয়ারবাজার ও ব্যাংকিং খাত।

দেশের উন্নয়নের জন্য তিনটি খাতকে সমান্তরালভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানবসম্পদ উন্নয়ন। তার ভাষায়, মানুষের মেধা, যোগ্যতা, বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা ও পরিশ্রম—এই চারটির সমন্বয় ঘটলে কোনো শিল্পই ব্যর্থ হয় না।

ব্যবসায়িক সফলতার জন্য তিনি চারটি গুণকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন—সহি নিয়ত, জ্ঞান, সাহস ও পরিশ্রম। তিনি জানান, বাংলাদেশের শীর্ষ ২৭টি প্রতিষ্ঠানের ওপর করা এক জরিপে দেখা গেছে, এর মধ্যে ২১টির উদ্যোক্তাদের কোনো পারিবারিক পুঁজি ছিল না। তারা ক্ষুদ্র মূলধন, সততা ও সাহস নিয়ে এগিয়ে এসেছেন।

ব্রুনাই সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, সেখানে শাসক ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব নেই। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত এবং শ্রমিকদের ন্যায্য পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা হয়েছে। অথচ বাংলাদেশে ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ ভোক্তা—কেউই সন্তুষ্ট নয়।

নিজেকে একজন সাধারণ কৃষকের সন্তান হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি বলেন, আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে দেশের সাধারণ মানুষের অবদান রয়েছে। কারণ দরিদ্র মানুষও ভ্যাট দেয় এবং সেই অর্থেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। তাই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকা প্রত্যেকের কর্তব্য।
শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিল্পকে শ্রমিকের সন্তানের মতো ভালোবাসতে হবে এবং মালিকদের শ্রমিকদের সম্মান ও মর্যাদা দিতে হবে। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে কোনো কর্মকর্তা ভুল করলে তিনি প্রকাশ্যে অপমান না করে আলাদাভাবে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বারবিডার সভাপতি আব্দুল হক বলেন, বাংলাদেশের প্রশাসন এখনো ঔপনিবেশিক মানসিকতায় পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে কর্মকর্তারা সহায়ক নয় বরং নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায়। এই মানসিকতার আমূল পরিবর্তন জরুরি। শিল্প ও বিনিয়োগ উন্নয়নে ভিয়েতনাম, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মডেল অনুসরণের পরামর্শ দেন তিনি। সরকারকে প্লট-ফ্ল্যাট ব্যবসা না করে নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য স্বল্প ভাড়ার আবাসন নিশ্চিত করতে হবে এবং ঢাকার জন্য আলাদা আরবান গভর্নমেন্ট গঠন প্রয়োজন।

আদদিন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান ড. শেখ মহিউদ্দিন বলেন, কর্মজীবী নারীদের জন্য দৈনিক কাজের সময় ৪–৫ ঘণ্টা করার প্রস্তাব দেন, যাতে তাঁরা পরিবার, মাতৃত্ব ও পেশাগত দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করতে পারেন। তাঁর মতে, যে জাতি মাতৃত্বকে সম্মান করতে পারে না, তারা উন্নতি করতে পারে না। ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক দল নেই, তারা শুধু নিরাপদ ব্যবসা পরিবেশ চায়। তিনি বিলাসিতা ও অতিরিক্ত সম্পদ আহরণের প্রতিযোগিতা সমালোচনা করে নৈতিকতা ও ধর্মীয় আদর্শে জীবন পরিচালনার আহ্বান জানান।

এমসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ এন করিম বলেন, গত চার দশক ধরে তিনি আইটি খাতের সঙ্গে যুক্ত এবং ১৯৯৮ সালে বেসিস গঠনের উদ্দেশ্য ছিল এ খাতকে এগিয়ে নেওয়া। আগামী ১০–২০ বছরে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও ব্লকচেইন প্রযুক্তি অর্থনীতিকে নতুন রূপ দেবে এবং মানুষের সক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে যাবে। আইটি আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশ ভারত ও ফিলিপিন্সের চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও এই খাতে এখনও বড় সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মোস্তফা কামাল বলেন, একটি এলপিজি নীতিমালার অনুমোদনের জন্য তাঁকে বহুবার সচিবালয়ে যেতে হয়েছে, যা প্রশাসনিক জটিলতার উদাহরণ। কর্মকর্তারা নিজেদের রাজা এবং ব্যবসায়ীদের প্রজা মনে করেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এসিল্যান্ড পদে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তা বাতিলের প্রস্তাব দেন। সব দপ্তরে অটোমেশন চালু ও বারবার এসআরও পরিবর্তন বন্ধের দাবি জানান। তিনি রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব দেন

বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আনোয়ার-উল- আলম চৌধুরী বলেন, ব্যবসায়ীরা সমাজে সম্মান ও স্বাধীনতা চান এবং রাজনৈতিক কারণে তাদের হয়রানি গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের ১৮ কোটি মানুষের কর্মসংস্থানের জন্য ম্যানুফ্যাকচারিং খাতকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। গার্মেন্টস খাত প্রযুক্তিনির্ভর হলেও অটোমেশনের ফলে নতুন চাকরি কমছে। ভবিষ্যতে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, অটোমোবাইল, আইটি ও হালাল পণ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। ভূ-রাজনীতিতে ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

ওষুধ শিল্প সমিতির মহাসচিব ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন বলেন, ব্যবসায়ীদের জনগণের শত্রু নয়, উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে দেখতে হবে। নীতিমালা প্রণয়নে ব্যবসায়ীদের যুক্ত করা প্রয়োজন। ওষুধ শিল্পে ব্যবসা করতে ৪৭টি লাইসেন্স ও নিয়মিত নবায়ন বড় বাধা। আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতি ও হয়রানির কারণে উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তিনি ওয়ান স্টপ সার্ভিস, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং উন্নত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জোর দাবি জানান।

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য দূর করা সম্ভব। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের কারণে বেসরকারি খাত পর্যাপ্ত ঋণ পাচ্ছে না। পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে আনা জরুরি। গ্যাস সংকটে অনেক শিল্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তিনি ভারতের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, সেখানে বিনিয়োগে বড় অঙ্কের প্রণোদনা দেওয়া হয়, যা বাংলাদেশেও চালু করা প্রয়োজন।

এফবিসিসিআইয়ের সাবেক আরেক সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক বাণিজ্য খুবই কম, যা বাড়ানো জরুরি। বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অনিশ্চয়তায় ব্যবসায়ীদের বিকল্প জ্বালানিতে অতিরিক্ত বিনিয়োগ করতে হয়, ফলে উৎপাদন খরচ বাড়ে। বাংলাদেশের শ্রমিকদের দক্ষতা এখনো চীন ও ভিয়েতনামের তুলনায় কম। মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণা ও পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল গড়ে তুললে দেশের বড় অভ্যন্তরীণ বাজার আরও কার্যকর হবে।

ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (আইসিসিআই) সভাপতি মাহবুবুর রহমান তার বক্তৃতায় দেশের প্রশাসন, বেসরকারি খাত, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ইসলামী ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি স্থায়ী আমলাতন্ত্রের জটিলতা কমাতে আমেরিকান পলিটিক্যাল অ্যাপয়েন্টমেন্টের মতো ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেন।

বেসরকারি খাতের অবহেলার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বিনিয়োগ ও দেশের অর্থনীতি পরিচালনায় সরকারি সহায়তা অপরিহার্য। তিনি নির্বাচনকে নাগরিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন এবং জামায়াতের সংলাপমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। ইসলামী ঐক্যের অভাবে জনগণ ইসলামী ব্যাংকিং ও ব্যবস্থায় দূরে সরে যায় বলে মন্তব্য করেন এবং স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান, ফিলিস্তিনের নির্যাতনের ওপর দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সঠিক আদর্শ ও স্বচ্ছতার মাধ্যমে দেশে ইসলামের প্রতিষ্ঠার আশা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করেন নায়েবে আমির ডক্টর আব্দুল্লাহ তাহের।

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com