October 10, 2026, 6:55 pm

এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই : শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর সুযোগ নেই : শিক্ষামন্ত্রী

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গত বছরের তুলনায় ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। এদিকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

দীপু মনি বলেন, ’চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৩ লাখ ৪৩ হাজার ৩৪২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। এর মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষায় ১১ লাখ ৮ হাজার ৫৯৪ জন, আলিম পরীক্ষায় ৯৮ হাজার ৩০১ জন ও এইচএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ লাখ ৫২ হাজার ৭১৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবে। গত বছরের তুলনায় এবার ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৩৫ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। তবে প্রতিষ্ঠান কমেছে ১২টি। অন্যদিকে কেন্দ্র বেড়েছে ৯টি।’

কয়েক দিন ধরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আন্দোলন করছে কিছু শিক্ষার্থী। তাদের দাবির বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ’পরীক্ষা পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। কিছু শিক্ষার্থী এটি পেছানোর দাবি করেছে। তাদের দাবিগুলো যৌক্তিক নয়, এখনও সময় আছে। এখনও পড়াশোনা করলে তারা ভালো রেজাল্ট করবে। আশা করব, তারা বিক্ষোভ না করে পরীক্ষা দেবে।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ’ঘোষণা অনুযায়ী ১৭ আগস্ট থেকে শুরু হবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এর তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হবে ২৫ সেপ্টেম্বর। ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হবে ২৬ সেপ্টেম্বর। ৪ অক্টোবর শেষ হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা।’

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় আইসিটি বিষয় ৭৫ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ’আইসিটি বিষয় ছাড়া চলতি বছর সব বিষয়ে পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাসে পূর্ণ নম্বরে পরীক্ষা হবে। এবার আইসিটি পরীক্ষা নেওয়া হবে ৭৫ নম্বরে। এর মধ্যে ২৫ নম্বরের ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে। লিখিত অংশে ৭৫ নম্বরের পরিবর্তে হবে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা। আবার লিখিত ৫০ নম্বরের মধ্যে ২০ নম্বরের এমসিকিউ থাকবে। ২৫টি এমসিকিউ প্রশ্নের মধ্যে ২০টির উত্তর দিতে হবে। এ ছাড়াও বড় প্রশ্নের ক্ষেত্রে আটটি প্রশ্নের মধ্যে তিনটির উত্তর দিতে হবে। যার নম্বর হবে ৩০। অন্যবার যেখানে আটটি প্রশ্নের মধ্যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হতো। অর্থাৎ শিক্ষার্থীদের উত্তর করার ক্ষেত্রে অপশন বাড়ছে।’

পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রায় দেড় মাস সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ’পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা নেওয়ার লক্ষ্যে সারা দেশে ১৪ আগস্ট থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে। কোচিং সেন্টারগুলোতে একাডেমিকসহ নানা ধরনের কোচিং হয়। তাই আমাদের সিদ্ধান্ত এই ৪৩ দিন সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।‘

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com