October 17, 2026, 1:42 pm

জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ২৩০ বিলিয়ন ডলার

জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ২৩০ বিলিয়ন ডলার

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আগামী ২৭ বছরের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ নতুন ও অতিরিক্ত অর্থ হিসাবে প্রতিবছর প্রায় ৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। বাংলাদেশের এনডিসি লক্ষ্যমাত্রা পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য শর্তসাপেক্ষ ১৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। আমাদের জলবায়ু অর্থায়নে সহজ ও দ্রুত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার (২০ মার্চ) ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ‘ড্রাইভিং ক্লাইমেট অ্যাকশন, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড প্রোগ্রেস’ থিম নিয়ে প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের জলবায়ু সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহাব উদ্দিন বলেন, অভিযোজন ও প্রশমনের মধ্যে সমান ভারসাম্য রেখে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় পদক্ষেপগুলোকে সমর্থন করার জন্য উন্নত দেশগুলোকে এই বছর থেকে বাৎসরিক ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হবে। স্বেচ্ছাসেবী দাতা সহায়তার বাইরে অভিযোজনের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জরুরিভাবে নতুন, অনুমানযোগ্য ও পর্যাপ্ত অনুদান-ভিত্তিক পাবলিক অর্থায়ন প্রয়োজন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ন্যাপ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য আর্থিক ব্যবস্থার সমাধান করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশ উন্নত দেশগুলোর প্রতি দ্বিগুণ অভিযোজন অর্থায়নের আহ্বান জানিয়েছে। এলডিসি গ্রুপের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে অনুদান-ভিত্তিক অভিযোজন সহায়তার জন্য জলবায়ু অর্থায়নের উচ্চাভিলাষী অবদান নিশ্চিত করতে উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করে।

তিনি বলেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস নাগালের মধ্যে রাখার জন্য ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন ৪৩ শতাংশ কমাতে ‘মিটিগেশন ওয়ার্ক প্রোগ্রাম’ সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দেশগুলোকে ঐক্যমত পোষণ করতে হবে। প্রশমন কর্মসূচিকে পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রশমন কর্মকাণ্ডের কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সক্ষম করার শর্ত তৈরি করা উচিত।

এর আগে মন্ত্রী ডেনমার্কের দূতাবাসে রাষ্ট্রদূত একেএম শহীদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com