October 7, 2026, 6:22 pm
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, জনগণের টাকা খরচে সর্তক হতে হবে। কোনভাবেই অপচয় করা যাবেনা। না খেয়ে টাকা বাঁচাতে বলবেনা। খেতেও হবে, আবার হিসাবও করতে হবে। প্রতিটি টাকা খরচ করতে হিসাব করেই।
তিনি বলেন, সরকার ব্যয়ের পক্ষে। কিন্তু যে ব্যয় আমাদের ফিরিয়ে দেবে সেই ব্যয় করতে হবে। কেননা যারা আমাদের টাকা দিচ্ছেন, তার গিয়ে দেখেন আমাদের মতো সুন্দর বসার জায়গা পাচ্ছেনা। তারা হয়ত মাটিতে বসে কাজ করছেন। অথচ তারাই দেশের মানুষ।
আজ সোমবার জনশুমারিও গৃহগণনা কার্যক্রমের জোনাল অপারেশন প্রমিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্প্রতি কৃষি শুমারিতে আগে কাগজ কলম কিনে রাখায় তা নষ্ট হয়ে যায়। পরে ব্যবহার করতে গিয়ে ১৩ কোটি টাকা গচ্চা দিতে হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, স্টেশনারী কেনাকাটাসহ সব ধরনের কেনাকাটায় বিশেষ সর্তর্ক থাকতে হবে। সময় মতো ক্রয় কার্যক্রম করতে হবে।
এ বিষয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, জনশুমারি প্রকল্পে আমরা ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করছি। কেননা কৃষি শুমারিতে কাগজ কলম ব্যবহার করতে গিয়ে ১৩ কোটি টাকা গচ্চা দিতে হয়েছে। কেননা অনেক কাগজ নষ্ট হয়েছে। তথ্য ধরা যাচ্ছিল না। পরবর্তী অনেক দেনদরবার করে এই টাকা পাশ করতে হয়েছিল। এরকম ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে আমরা সর্তর্ক করেছি।
আগামী ২৫ থেকে ৩১ অক্টোবর জনশুমারির মূল শুমারি অনুষ্ঠিত হবে। এই এক সপ্তাহের সারা দেশের মানুষকে গণনার আওতায় আনা হবে। এ উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে জোনাল অপারেশন (প্রথম) প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারাদেশের ১৪৪ জন জোনাল কর্মকর্তা এই প্রশিক্ষনে অংশ নিচ্ছেন। জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১ কার্যক্রম ৪টি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে, জোনাল অপারেশন পরিচালনা, শুমারির তথ্য সংগ্রহ, পিইসি জরিপ পরিচালনা ও আর্থ-সামাজিক ও জনতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনা। জোনাল অপারেশন প্রথম পর্যায়ের মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আগামী ২৩ জানুয়ারি হতে ২০২১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
মোহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী বলেন, চলতি মাসেই মূল শুমারির অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে অক্টোবর মাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ডিভাইস ব্যবহার করে ধর্য্য সহকারে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়। সঠিক পরিসংখ্যান ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটায়।
প্রকল্প পরিচালক কবির উদ্দিন বলেন, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১ ৪টি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হলো পর্যায়-১, এর আওতায় শুমারির ব্লক এলাকা প্রণয়ন, জিআইএস পদ্ধতি ব্যবহার কওে দেশের সকল এলাকা ম্যাপ ও জিও কোডের আওতায় স্বতন্ত্র সনাক্তকরণ মাধ্যমে চিহিৃত করা হবে। পর্যায় ২-এর আওতায় শুমারি পরিচালনা দেশের সকল খানা, ব্যক্তি এবং আবাসন ইউনিট গণনা করা হবে। পর্যায়-৩ এর আওতায় শুমারি পরবর্তী জরিপ পরিচালনা শুমারির গূণগত মান পরিমাপ করা হবে। পর্যায়-৪ এর আওতায় আর্থ-সামাজিক ও জনমিতিক জরিপ পরিচালনা খানা ও জনসংখ্যা সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
বিজনেস নিউজ/এমআরএম