May 27, 2026, 5:27 pm
ঢাকা-৮ আসনে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী মেঘনা আলম বলেছেন, জয়-পরাজয়ের চেয়ে বড় বিষয় হলো ভয়ের পরিবেশ ভেঙে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সাহস। নারীরা যেখানে ভোটে আসতেই ভয় পান, সেখানে প্রার্থী হতে পারাটাকেই তিনি নিজের বিজয় বলে মনে করেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ভিকারুননিসা নুন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে বিকেল ৪টায় ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
মেঘনা আলম বলেন, “ভোটে জয়ী হওয়াই বিজয় নয়। যে আসনে নারীরা ভয়ে নির্বাচনে আসে না, সেখানে আমি সাহস করেছি। এটিই আমার জন্য বড় অর্জন, এটিই আমার বিজয়।”
নিরাপত্তা ইস্যুতে তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমি গতকাল (১১ ফেব্রুয়ারি) থানায় গিয়েছিলাম খোঁজ-খবর নিতে। আমাকে বারবার গানম্যান দেওয়ার কথা বলেও দেওয়া হয়নি। যদিও আমি যখনই প্রচারণায় বের হয়েছি, তখনই আমাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্থায়ীভাবে কেন গানম্যান দেওয়া হলো না, সেটি জানতে গিয়েছিলাম।”
তিনি আরও বলেন, “তারা শুরু থেকেই জানিয়ে আসছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি আদেশের জন্য বিষয়টি আটকে আছে। তাহলে গতকাল পর্যন্ত আমাকে কেন গানম্যান দেওয়া হলো না? যেহেতু আমি বৈধভাবে একজন এমপি প্রার্থী, সেহেতু আমার যে সম্মান পাওয়া দরকার, সেটি আমার নাগরিক অধিকার।”
মেঘনা আলমের ভাষ্য, “কোনো এক বিদেশিকে খুশি করতে যদি এটি না দিয়ে থাকে, সেটি দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য খুবই দুঃখজনক।”
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ইলেকশন কমিশনের নিজেদেরই উচিত স্বচ্ছ পরিবেশ নিশ্চিত করা। তাদের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যায়।”
প্রচারণার সুযোগ নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার দাবি, “প্রার্থী হিসেবে যে প্রচারণা করা যায়, সেখানে আমি ১০ শতাংশের মধ্যে ২ শতাংশও করতে পারিনি। অথচ অনেকে কত সীমা লঙ্ঘন করেছে।”
ভোটের ফল যাই হোক, নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং ভয়ের সংস্কৃতি দূর করাকেই তিনি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেন।