October 9, 2026, 3:52 pm
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার ভয় পেয়েই এখন স্বীকার করে নিয়েছে তলে তলে আপস হয়ে গেছে। কি বুঝাতে চাচ্ছেন, দিল্লি কি অপকর্ম করতে বলেছে? তারা কি বলেছে দরকার নাই নির্বাচনের? তাহলে পরিষ্কার করে বলেন।
বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিটিউটে পেশাজীবীদের এক কনভেনশনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ এতো বেশি পা চাটা হয়ে গেছে যে তাদের সাধারণ সম্পাদক বলেন–তলে তলে আপস হয়ে গেছে। তাহলে স্বীকার করলেন এতো দিন আপস ছিল না। আপনাদের মতো এতো বড় মিথ্যাবাদী পৃথিবীতে খুঁজে পাবেন না। এর আগে তাদের পররাষ্টমন্ত্রী বলেছিল আলোচনা হয়েছে। আসলে কোন আলোচনা হয়নি। বৈঠকও হয়নি। ছবি তোলার জন্য কত লবিং করেছে সেটা সবাই জানি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সারাবিশ্বে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপে দেখতে চায়। তারা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে ২০১৪ সালে নির্বাচন হয়নি ও ২০১৮ সালেও কোন নির্বাচন হয়নি। এবারও তাদের অধীনে কোন নির্বাচন হতে পারে না। তাদের অধীনের কোন নির্বাচনকে কখনো বৈধতা দেয়া হবে না।
লন্ডনে শেখ হাসিনার বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তার কথা এত করুচিপূর্ণ-যা নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। তবে তিনি তার বক্তব্যে কয়েকটি সত্য কথা বলে দিয়েছে- তা হলো এদেশে যা কিছু ঘটে তা শেখ হাসিনার নির্দেশে। এদেশে বিচার বিভাগের কোন প্রয়োজন নেই। শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তই হলো সিদ্ধান্ত। এখন শেখ হাসিনাকে নিজেকে নিজে সম্রাট ঘোষণা দিলে পারেন।
ফখরুল বলেন, খালেদা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে গণতন্ত্রে পুনরুদ্ধারের সাথে কোন আপস নেই। কোন শর্ত নাই, ১/১১ এর সময় অন্যরা দেশের বাহিরে গেছে কিন্ত আপসহীন নেত্রী খালেদা জিয়া দেশের মাটি ছেড়ে যায়নি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথার জবাবে তিনি বলেন, ৪০১ ধারায় স্পষ্ট বলা আছে সরকার চাইলে আইনে মধ্যে যেকোন নাগরিকের সাজা মওকুফ করে দিতে পারে, কিন্তু তারা এখন মিথ্যাচার করছে। তাহলে আওয়ামী লীগ সরাসরি বললেই তো পারে তারা খালেদা জিয়াকে হত্যা করতে চায়।
সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরী সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না প্রমুখ।