October 13, 2026, 3:33 pm
লাইসেন্স না নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ব্যাংকের এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) মাধ্যমে বিদেশ থেকে মাদকদ্রব্য আমদানি করছে। সেসব মাদকদ্রব্য বাজারজাতও করা হচ্ছে। এতে মাদকের অপব্যবহার বাড়ছে। পাশাপাশি সরকার বড় অংকের রাজস্ব হারাচ্ছে। এ অবস্থায় এখন থেকে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানির এলসি না খোলার জন্য ব্যাংকগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বুধবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ নির্দেশনা দিয়ে সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে পাঠিয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স,পারমিট, অনাপত্তি বা পূর্বানুমতি ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানির জন্য এলসি ইস্যু না করতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হলো।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।
গত ২১ সেপ্টেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া মাদকদ্রব্য আমদানি, সংরক্ষণ, ব্যবহার, গুদামজাতকরণ, সরবরাহ, বিপণন, ক্রয়, বিক্রয়, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, বহন, পরিবহন ও স্থানান্তরের কোনো সুযোগ নেই।
অসাধু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের লাইসেন্স ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এলসির মাধ্যমে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের তফসিলভুক্ত মাদকদ্রব্য বিদেশ থেকে আমদানি করে বাজারজাত করছে। এতে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং মাদকের অপব্যবহার হচ্ছে। এ অবস্থায় স্থল, আকাশ বা সমুদ্রপথে মাদকদ্রব্য আমদানির উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে তফসিলি ব্যাংক থেকে এলসি ইস্যু না করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে অনুরোধ করে অধিদপ্তর। এ পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক লাইসেন্স ছাড়া মাদকদ্রব্যের আমদানির এলসি না খোলার নির্দেশ দিয়েছে।