October 13, 2026, 10:50 am

বঙ্গবন্ধু টানেলের দ্বিতীয় চ্যানেল খুলে দেওয়া হবে আজ

বঙ্গবন্ধু টানেলের দ্বিতীয় চ্যানেল খুলে দেওয়া হবে আজ

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে তৈরি হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল বা সুড়ঙ্গপথ। দেশের প্রথম টানেল হিসেবে এ পথ দিয়ে চলবে সব ধরনের যানবাহন। এটা স্বপ্ন নয়, সত্যি। যদিও এ সত্যকে দেখতে অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু দিন। টানেলের দ্বিতীয় চ্যানেল খুলে দেওয়া হবে আজ। এ টানেলকে ঘিরে এখনই স্থানীয় জনগণের প্রাণে বইছে উচ্ছ্বাসের জোয়ার। এ উচ্ছ্বাসের নেপথ্যে কাজ করছে অভাবনীয় এক উন্নয়নের যুগে প্রবেশের হাতছানি, যে উন্নয়নের ছোঁয়ায় চীনের সাংহাইয়ের মতো ওয়ান সিটি টু টাউনে পরিণত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে চট্টগ্রাম।

প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে, দেশে নির্মাণাধীন এ টানেলের প্রথম টিউবের খননকাজ শেষ হয়েছে আগেই। যেখানে যানবাহন চলাচলের জন্য চলছে সড়কের পিচ ঢালাইয়ের কাজ। দ্বিতীয় টিউবের খননকাজও প্রায় শেষ। বাকি আছে মাত্র ৬ মিটার, যা আগামী শুক্রবার শেষ হবে। এরপর দুই টিউবের দুমুখে প্রবেশ করবে আলোক রেখা। যদিও গাড়ি প্রবেশের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছুদিন।

টানেলের প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, চীনের সুদক্ষ প্রকৌশলীদের তত্ত্বাবধানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে কর্ণফুলী তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের নির্মাণকাজ। লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যেও টানেল নির্মাণের কাজ বন্ধ ছিল না এক দিনও।

তিনি বলেন, গত বছরের নভেম্বর মাসেই টানেলের পতেঙ্গা থেকে আনোয়ারা পর্যন্ত প্রথম টিউব স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়, যা গত বছরের ডিসেম্বর মাসে নদীর তলদেশে টিবিএম মেশিনের মাধ্যমে বোরিং কার্যক্রম শুরু হয়। দ্বিতীয় টিউবের কাজও শেষ হবে শুক্রবার। দুটি টিউবে বাকি থাকবে শুধু রাস্তা তৈরি ও অন্যান্য কাজ, যেখানে তেমন কোনো চ্যালেঞ্জ নেই।

তিনি বলেন, এই টানেল দিয়ে যান চলাচল শুরু হলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা কক্সবাজার ও দক্ষিণ চট্টগ্রামগামী যানবাহনকে আর চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ করতে হবে না। সিটি আউটার রিং রোড হয়ে টানেলের মাধ্যমে অতি অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবে। এতে চট্টগ্রাম শহরে যানবাহনের চাপ কমে যাবে।

অবশ্য এই প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে কক্সবাজারের মহেশখালীতে গভীর সমুদ্রবন্দর, আনোয়ারা ও মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হওয়ার পর। মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দরে চট্টগ্রাম হয়ে আমদানি-রফতানিযোগ্য পণ্য এ টানেল দিয়ে সহজে পরিবহন করতে পারবে।

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের আরেকটি বিশেষ দিক হলো, এ প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়াতে হয়নি। দেশে বড় প্রকল্পগুলোতে দফায় দফায় মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানোর ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে প্রায় সময় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, প্রকল্পের কাজ সঠিক সময়ে শেষ হয় না। শুধু সময় বাড়ানো হয়। টাকাও বাড়ানো হয়। কিন্তু কর্ণফুলী টানেলের বেলায় এমনটি হয়নি। বরং নির্ধারিত সময়ের আগেই টানেল প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে।

ব্যয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা : প্রকল্পের তথ্য মতে, টানেল নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। প্রকল্পের অর্থ ব্যয়ে ঋণ হিসেবে চীনের এক্সিম ব্যাংক দিচ্ছে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা। অবশিষ্ট অর্থের জোগান হয়েছে সরকারি তহবিল থেকে।

প্রকল্প কাজের বিবরণে দেখা যায়, মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে। আর আনোয়ারা প্রান্তে রয়েছে ৭২৭ মিটার দীর্ঘ উড়াল সেতু। কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে ১৮-৩১ মিটার গভীরতায় সুড়ঙ্গ তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি ৩৫ ফুট প্রশস্ত ও ১৬ ফুট উচ্চতার।

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে প্রথম সুড়ঙ্গের খননকাজ শুরু হয়। এ কাজ শেষ হয় গত বছরের ২ আগস্ট। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ভার্চুয়ালি দ্বিতীয় সুড়ঙ্গের খনন কাজের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। চট্টগ্রামের আনোয়ারা প্রান্ত থেকে এই খননকাজ শুরু হয়।

সময়ের আগেই চালুর আশা : প্রকল্প কর্মকর্তারা জানান, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে প্রথম সুড়ঙ্গ খনন করতে ১৭ মাস লেগেছিল। দ্বিতীয় সুড়ঙ্গ খননে সময় লাগছে ১০ মাস। খননকাজ শেষ হওয়ার পর প্রথম সুড়ঙ্গে এখন সড়ক নির্মাণের কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৬২৩ মিটার ম্ল্যাব ঢালাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। আনোয়ারা প্রান্তে উড়াল সেতুর কাজও শেষ পর্যায়ে। এ ছাড়া পতেঙ্গা ও আনোয়ারা প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সংযোগ সড়কের নির্মাণকাজও চলছে।

প্রকল্প পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, দ্বিতীয় সুড়ঙ্গটির খননকাজ আগামী শুক্রবারের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনায় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে ২০২২ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্প চালুর সময় নির্ধারণ থাকলেও তার আগেই প্রকল্প চালু করা সম্ভব হবে, এমনটা আশা করছি।

সাংহাইয়ের পথে চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামকে দুভাগে বিভক্ত করেছে কর্ণফুলী নদী। একভাগ নগরীর পতেঙ্গায়। অপরভাগ আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায়। কিন্তু টানেল নির্মাণ শুরুর পর থেকে দুই পাড়ে শুরু হয়েছে উন্নয়নযজ্ঞ। নগরীর পতেঙ্গায় গড়ে উঠছে চট্টগ্রাম বন্দরের পতেঙ্গা টার্মিনাল। গড়ে তোলা শুরু হয়েছে বে-টার্মিনালও। এতে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রফতানি বাণিজ্য সক্ষমতা ক্রমেই বাড়ছে। এই দুই টার্মিনাল চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা পাঁচগুণ বেড়ে যাবে।

অন্যদিকে আনোয়ারা ও কর্ণফুলী উপজেলায় রয়েছে কেইপিজেড, সিইউএফএল কাফকো, ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি। সেই সঙ্গে গড়ে উঠছে বিশাল চায়না ইকোনমিক জোন। গড়ে উঠছে বণিজ্যিক ভবন। চলছে সড়ক উন্নয়নকাজ। ফলে ধীরে ধীরে সাংহাইয়ের মতো ওয়ান সিটি টু টাউনে পরিণত হচ্ছে চট্টগ্রাম। এমন তথ্য চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুকের।

তিনি বলেন, টার্মিনাল ঘিরে ইতোমধ্যে আউটার রিং রোড গড়ে উঠেছে। এই রিং রোড দিয়ে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, আনোয়ারা শিল্প জোন, চট্টগ্রাম বন্দর, মিরসরাই শিল্প জোনের পণ্য পরিবহন হবে। এতে দেশের অর্থনীতিতে আমূল পরিবর্তন ও সমৃদ্ধি আসবে।

উপশহরে রূপ নিচ্ছে আনোয়ারা : বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের ফলে পাল্টে যাচ্ছে আনোয়ারা, কর্ণফুলী ও পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের জনপদের চিত্র। বদলে যাচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। পাড়া-মহল্লার নামেও ঘটেছে পরিবর্তন। টানেল ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছে সাধারণ মানুষ।

আনোয়ারা উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, উপজেলার শিল্প জোনের প্রাণকেন্দ্র এই বৈরাগ ইউনিয়ন। এখানে রয়েছে সিইউএফএল, কাফকো, ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানি, কেইপিজেড। গড়ে উঠছে চায়না ইকোনমিক জোন। এতে আনোয়ারা রূপ নিচ্ছে উপশহরে।

তিনি বলেন, টানেলের সংযোগ সড়ক এই ইউনিয়নের ওপর হওয়ায় এখানকার মানুষের জীবনমান একশ বছর এগিয়ে গেছে। সিইউএফএল প্রতিষ্ঠার পর জালিয়াঘাটার নাম বদলে হয়েছিল শাহাদাতনগর। ঠিক কর্ণফুলী টানেল সংলগ্ন গোয়ালপাড়া বাসিন্দারা শুক্রবার রাতে দক্ষিণ বন্দর এতিমখানা মাঠে এক সভায় পাড়ার নাম পরিবর্তন করে টানেলনগর নামকরণ করে।

এ ছাড়া কেইপিজেড, কাফকো ও সিইউএফএলকে কেন্দ্র করে বন্দর সেন্টার এলাকায় গড়ে উঠেছে অসংখ্য অভিজাত রেস্টুরেন্ট। বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ, চায়না ইকোনমিক জোন ও চলমান পিএবি সড়কের ছয় লাইনের কাজ সম্পন্ন হলে পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের চিত্র পাল্টে যাবে।

আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বরাবরই উন্নয়নবান্ধব। আর আনোয়ারার অভিভাবক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের সুদক্ষ নেতৃত্ব আনোয়ারাকে বদলে দিয়েছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর আনোয়ারাকে যাতে বিশ্ববাজারের স্পট বানানো যায় তার জন্য বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যান তিনি। টানেল নির্মাণ প্রকল্প তারই একটি অংশ।

এ ছাড়া আরও বেশ কয়েকটি মেগা প্রকল্প হাতে রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আনোয়ারা শুধু উপশহর নয়, একটি আন্তর্জাতিক বাজারে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী।

অর্থনীতিবিদের বক্তব্য : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজির রহমান টানেল নিয়ে জানতে চাইলে অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মইনুল ইসলাম বলেন, এই টানেল অন্য প্রকল্পের মতো নয়। যন্ত্রের মাধ্যমে খননকাজ করার কারণে এই টানেল নির্মাণ কাজের অগ্রগতি দ্রুত হচ্ছে। এটা একটি উৎসাহব্যঞ্জক ও অনুকরণীয়। তবে খননকাজ সম্পন্ন হওয়ার পর বাকিটা শেষ করতে যেন বেশি সময় নেওয়া না হয়। আগামী বছরের জুলাইয়ের মধ্যে টানেল যেন যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। কারণ যত আগে প্রকল্প চালু সম্ভব হবে ততই প্রকল্প ব্যয় কমবে।

অর্থনীতিতে এই টানেল খুবই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে উল্লেখ করে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, টানেলের কারণে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে নগরায়ণ, শিল্পায়ন ও বন্দরের কার্যক্রম প্রসারিত হবে। আনোয়ারা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত গড়ে উঠবে নতুন নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল। এ ছাড়া মিরসরাইয়ের বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ পর্যন্ত শিল্প করিডোর (সড়ক ঘিরে শিল্পায়ন) হবে। এই টানেল দিয়ে বছরে ৬৩ লাখ যানবাহন চলাচল করবে।

প্রসঙ্গত, কর্ণফুলী নদীর ওপর ইতোমধ্যে ৩টি সেতু নির্মিত হয়েছে, যা বিদ্যমান বিপুলসংখ্যক যানবাহনের জন্য যথেষ্ট নয়। নদীর মরফলজিক্যাল বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কর্ণফুলী নদীর তলদেশে পলি জমা একটি বড় সমস্যা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারিতার জন্য বড় হুমকি।

এই পলি সমস্যা মোকাবিলায় কর্ণফুলী নদীর ওপর আর কোনো সেতু নির্মাণ না করে এর তলদেশে টানেল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য কর্ণফুলী নদীর দুই অংশকে সংযুক্ত করা। এর মাধ্যমে চীনের সাংহাই নগরীর আদলে বন্দরনগরী চট্টগ্রামকে ওয়ান সিটি টু টাউন হিসেবে গড়ে তোলা।

২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর এ মেগা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টানেলের মূল খননকাজ উদ্বোধন করেন। নির্মাণ কাজে জড়িত রয়েছে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি ও চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।

এ ছাড়া প্রজেক্ট ডিরেক্টরসহ কিছু বাংলাদেশি প্রকৌশলীও এই কর্মযজ্ঞে জড়িত। ইতালি, রাশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও সিঙ্গাপুরের কিছু বিশেষজ্ঞ এ প্রকল্পে বাংলাদেশের পক্ষে কনসালটেন্ট হিসেবে নিয়োজিত আছেন। টানেল নির্মাণে সব উপকরণ এবং প্রয়োজনীয় নকশা আসে চীন থেকেই। এই টানেলকে ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি আসছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com