October 8, 2026, 1:42 am

হাজী সেলিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল

হাজী সেলিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে ঢাকা-৭ আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট। তবে সম্পত্তির বিবরণী দাখিল না করার দায়ে বিচারিক আদালতের দেওয়া তিন বছরের সাজা বাতিল করেছেন আদালত।

রায়ের অনুলিপি হাতে পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে হাজী সেলিমকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশন দিয়েছেন হাইকোর্ট। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলছেন, সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তারা।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) বিচারপতি মো. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার জন্য হাজী সেলিমের আপিল মামলাটি আদালতের এ দিনের কার্যতালিকায় এক নম্বরে রাখা হয়েছিল। এর আগে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারি হাজী সেলিমের ১৩ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৯ মার্চ দিন ধার্য করা হয়।

ওইদিন (৯ মার্চ) আদালতে হাজী সেলিমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, আইনজীবী সাঈদ আহমেদ রাজা। অন্যদিকে দুদকের পক্ষে আইনজীবী খুরশিদ আলম খান ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান মনির।

গত বছরের ১১ নভেম্বর সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ১৩ বছরের দণ্ডের মামলার বিচারিক আদালতে থাকা যাবতীয় নথি (এলসিআর) তলব করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ৯ নভেম্বর হাজী সেলিমের মামলাটি হাইকোর্টে দ্রুত শুনানির জন্য কার্যতালিকাভুক্ত করতে উপস্থাপন করা হয়। গত ৩১ জানুয়ারি হাজী সেলিমের ১৩ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৪ অক্টোবর হাজী সেলিমের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণী  দাখিল না করার অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করে। এ মামলায় ২০০৮ সালের ২৭ এপ্রিল তাকে দু’টি অপরাধের দায়ে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

২০০৯ সালের ২৫ অক্টোবর এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হাজী সেলিম। ২০১১ সালের ২ জানুয়ারি হাইকোর্ট এক রায়ে তার সাজা বাতিল করেন। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক। ওই আপিলের শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় বাতিল করে পুনরায় হাইকোর্টে শুনানির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ।

পরে চলতি বছরের ৯ নভেম্বর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানিয়েছিলেন, ৮ নভেম্বর তিনি দুদক থেকে এ মামলা পরিচালনার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। পরদিন ৯ নভেম্বর মামলাটি শুনানির জন্য কার্যতালিকাভুক্ত করতে তিনি আদালতে আবেদন (মেনশন) করেন। এরপর আপিলটি কার্যতালিকাভুক্ত হওয়ার পর ১১ নভেম্বর মামলার যাবতীয় নথি তলব করেন হাইকোর্ট।

বিজনেস নিউজ/এসআর

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com