May 31, 2026, 2:17 pm
আটক নেতাদের কাছে খাবার ও ফুল পাঠানো সরকারের নাটক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শনিবার (২৯ জুলাই) রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের তিনি এ কথা বলেন।
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও আমান উল্লাহ আমানকে আটকের পর হেনস্তা করার পরবর্তিতে দেখলাম উনাদের কাছে ফুল পাঠানো হচ্ছে, পুলিশের অফিসে নিয়ে মিষ্টি খাওয়ানো হচ্ছে, খাবার খাওয়ানো হচ্ছে.. এই বিষয়টাকে আপনারা কিভাবে দেখছেন?
এর জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই বিষয়টাকে অনেকে যারা সমালোচক আছেন, হিউমার করে কথা বলেন তারা বলছেন যে, এটা নাকি ভিসানীতির একটা পরিণতি। কারণ আসলে নিজেদের রক্ষা করার জন্য, নিজেদেরকে নিরাপরাধ প্রমাণ করার জন্য এই ধরনের নাটক তারা সাজিয়েছেন।’
তিনি বলেন, ‘গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের কমিটমেন্ট টু হিজ পার্টি অ্যান্ড পলিটিক্স, গণতন্ত্র … এটা প্রমাণ করার প্রয়োজন রাখে না। তিনি তার সারা জীবনে, রাজনৈতিক জীবনে আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন, বড় হয়েছেন। আমান উল্লাহ আমানকে প্রমাণ করতে হবে না তিনি তার রাজনীতির প্রতি, দলের প্রতি, তার দেশের মানুষের প্রতি কোনো ঘাটতি আছে। কারণ তিনি নব্বইয়ে গণঅভ্যুত্থানে অন্যতম নায়ক এবং তিনি যে একজন জনগণের জনপ্রিয় নেতা তা প্রমাণ করেছেন আমান উল্লাহ আমান পরপর চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে। এই বিষয়গুলো মানুষ নেয় না ভাই।’
ফখরুল বলেন, ‘এখানে মানুষ জেনে গেছে, বুঝে গেছে যে, এগুলো তাদেরকে রক্ষার জন্য এসব নাটক সাজিয়েছে। এর আগেও এসব ঘটনা ঘটিয়েছে। সুতরাং এই জিনিসগুলো নেতাকর্মী ও জনগণ গুরুত্বই দেয় না।’
অপরদিকে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আচ্ছা, এর আগেওতো অনেক লোককে গ্রেপ্তার করেছে, তাদেরকে নির্যাতন করেছে, ডিবি অফিসে নিয়ে গেছে। তারপর দেখেন আমাকে, মির্জা আব্বাস সাহেবকে ডিসেম্বরে নিয়ে গেছে, আমাদের এখানে অনেক নেতা আছেন প্রায় সাড়ে ৪‘শ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছিল… তখনতো আপনার সুস্বাদু আম তাদেরকে খাওয়ানো হয় নাই, ফুলও পাঠানো হয়নি, ফলও পাঠানো হয় নাই।’
তিনি বলেন, ‘এখন পাঠানো হচ্ছে ভিসা নীতি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য, জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য।’
সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা হাবিব উন নবী খান সোহেল, শামা ওবায়েদ, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, তাইফুল ইসলাম টিপু, শফিকুল ইসলাম মিল্টন ও আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন উপস্থিত ছিলেন