August 19, 2026, 10:53 am
বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য মজুত রয়েছে। কোনো পণ্যের ঘাটতি নেই। কোনো অসাধু ব্যবসায়ীকে সুযোগ নিতে দেওয়া হবে না। সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে দেশব্যাপী প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২ মার্চ) বিকেলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ব্রিফিংকালে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এর আগে আসন্ন পবিত্র রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ, আমদানি, মূল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী ৩১ মের পর সয়াবিন এবং ৩১ ডিসেম্বরের পর পামঅয়েল খোলা বিক্রি বন্ধ করা হবে। সব ভোজ্যতেল বোতল বা প্যাকেট জাত করা হবে এবং নির্ধারিত দামে বিক্রি নিশ্চিত করা হবে। নির্ধারিত দামের বেশি বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাজার মনিটরিং জোরদার করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। যৌক্তিক দাম নিশ্চিত করতে সরকার সবধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। উৎপাদনকারী এবং ভোক্তার স্বার্থ রক্ষায় সবকিছু করা হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মজুত, সরবরাহ এবং মূল্য স্বাভাবিক রাখতে সবধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
টিপু মুনশি বলেন, সরকার কার্ড বিতরণ করে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে সারাদেশে এক কোটি মানুষের কাছে সাশ্রয়ী দামে চিনি, ভোজ্যতেল, মসুর ডাল, পেঁয়াজ, সোলা বিক্রয় করবে। এতে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ উপকৃত হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মো. মফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) মো. আফজাল হোসেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদস্য (ভ্যাট নীতি) মো. মাসুদ সাদিক, বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন, টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আরিফুল হাসান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আইআইটি) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, এসবির ডিআইজি এজেডএম নাফিউল ইসলাম, ক্যাব প্রকাশিত ভোক্তা কণ্ঠের সম্পাদক কাজী আব্দুল হান্নান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়, ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।