May 25, 2026, 10:43 am
ওজন কমাতে চাচ্ছেন এমন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। তবে ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন এমন মানুষের সংখ্যা একেবারেই কম নয়। নানা কারণে ওজন চলে যেতে পারে বিপদসীমার নিচে। হতে পারে তা খাবারে অনিয়ম, মানসিক চাপ, বংশগত কারণ, শারীরিক কোনো অসুস্থতা ইত্যাদি কারণে। অতিরিক্ত ওজন যেমন শরীরের জন্য ক্ষতিকর, কম ওজনও তাই। আর এ কারণেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করা জরুরি।
আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তবে সবার আগে পেট ভরে খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। খেতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে। এড়িয়ে চলবেন অতিরিক্ত তেল-ঝাল ও মশলাদার খাবার। কিছু খাবার আছে যেগুলো নিয়মিত খেলে বাড়বে ওজন। চলুন জেনে নেওয়া যাক তেমন ৫টি খাবার সম্পর্কে-
খেজুর ও দুধ
খেজুরে থাকে ভিটামিন এ, সি, ই, কে, বি২, বি৬ এবং থায়ামিন। এসব উপাদান আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। এতে আরও থাকে প্রোটিন ও শর্করা। আপনি যদি নিয়মিত খেজুর খান তবে এটি ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে তবে ওজন অতিরিক্ত হবে না। সবচেয়ে ভালো হয় খেজুরের সঙ্গে একগ্লাস দুধ যোগ করে খেতে পারলে। নিয়মিত খেলে এক মাসের মধ্যেই ওজন বৃদ্ধি পাবে।
ঘি ও চিনি
আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান তবে চিনি ও ঘি একসঙ্গে মিশ্রিত করে খেতে পারেন। এক চা চামচ ঘি ও এক চা চামচ চিনি মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ প্রতিদিন দুপুর বা রাতের খাবারের মিনিট ত্রিশেক আগে খালিপেটে খেতে হবে। এভাবে একমাস খেলে আপনার ওজন বৃদ্ধি পাবে।
আলু
আলু একটি চমৎকার সবজি। এটি নানাভাবে খাওয়া যায় এবং তা শরীরের জন্য নানা উপায়ে উপকারও করে থাকে। আমাদের ওজন বৃদ্ধিতেও কাজ করতে পারে আলু। সবজি রান্না করে বা মাখনের সঙ্গে বেক করে খেতে পারেন এই সবজি। স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি ফ্রেঞ্চ ফ্রাইও খেতে পারেন মাঝেমাঝে। এতে বাড়বে ওজন।
পিনাট বাটার
প্রতিদিনের খাবারে পিনাট বাটার যোগ করুন। সবচেয়ে ভালো হয় এটি সকালের খাবারে যোগ করতে পারলে। এটি আপনাকে ওজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। পিনাট বাটারে থাকে ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, খনিজ এবং ভিটামিন। এছাড়া এতে থাকে উচ্চ মাত্রায় ক্যালোরি, যা দ্রুত ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। পিনাটা বাটার ছাড়াও প্রতিদিনের খাবারে কয়েকটি চিনা বাদাম রাখতে পারেন।
পাকা আম ও হালকা গরম দুধ
আমের মৌসুমে অনেকেই পাকা আমের সঙ্গে দুধ মিশিয়ে খেতে হবে।