May 17, 2026, 12:20 am
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে চলতি বছরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন আগামী ৫ থেকে ৭ জানুয়ারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত থাকায় এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে সরকার।
আজ বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অনুবিভাগ) শেখ রফিকুল ইসলাম বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ডিসি সম্মেলন স্থগিত করা হয়েছে। তবে আমরা এখনও চিঠি পাইনি।
তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ বিভিন্ন দেশের পাশাপাশি আমাদের দেশেও বাড়ছে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে সুবিধাজনক সময়ে হয়তো ডিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।
করোনার কারণে তিন দিনব্যাপী ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠেয় ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। আর ডিসিদের সশরীরে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
মাঠ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে ডিসিরা প্রতিবছর এ সম্মেলনের মাধ্যমে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর সামনে বৈঠক করে কথা বলার সুযোগ পান। তারা নিজ নিজ জেলার উন্নয়ন প্রস্তাবনা এবং সমস্যা লিখিতভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পেশ করেন।
প্রতি বছর তিন দিনব্যাপী হলেও গত বছর থেকে ডিসি সম্মেলন পাঁচ দিনব্যাপী হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তার কার্যালয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। পরে বিভিন্ন অধিবেশনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-সচিব অংশ নেন। এ অধিবেশনগুলো সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
ডিসি সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে ডিসিদের কার্য অধিবেশন, এছাড়া একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুক্ত আলোচনা, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও একটি সমাপনী অনুষ্ঠান থাকে। গত বছরই জেলা প্রশাসক সম্মেলনে প্রথমবারের মতো প্রধান বিচারপতি, তিন বাহিনী প্রধান, জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনাররা বৈঠক করেন।
কার্য অধিবেশনগুলোতে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধি হিসেবে মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব ও সচিবরা উপস্থিত থাকেন। সম্মেলন উপলক্ষে জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনাররা লিখিতভাবে মাঠ প্রশাসনের সমস্যাগুলো নিয়ে প্রস্তাব দিয়ে থাকেন। অধিবেশনের সময় এগুলো ছাড়াও ডিসিরা তাৎক্ষণিক বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।
বিজনেস নিউজ /এসআর