May 31, 2026, 8:43 am

করোনার মধ্যেও ১৭ শতাংশ চা রফতানি বেড়েছে তুরস্কের

করোনার মধ্যেও ১৭ শতাংশ চা রফতানি বেড়েছে তুরস্কের

চা উৎপাদনকারী দেশগুলোর বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় তুরস্কের অবস্থান পঞ্চম। তবে পানীয় পণ্যটি রফতানিতে দেশটি পিছিয়ে রয়েছে। চা রফতানি বাড়াতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে তুরস্ক সরকার। এর সুফলও মিলছে। করোনা মহামারীর মধ্যে তুরস্কের চা রফতানি প্রবৃদ্ধির দেখা মিলেছে।

চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে (জানুয়ারি-নভেম্বর) দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি ১৭ শতাংশ বেড়ে চার হাজার টন ছাড়িয়ে গেছে। ইস্টার্ন ব্ল্যাক সি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর আনাদোলু নিউজ ও সিনহুয়া।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালের জানুয়ারি-নভেম্বর সময়ে তুরস্ক থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৪ হাজার ১৩৫ টন চা রফতানি হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় দেশটি থেকে পানীয় পণ্যটির রফতানি বেড়েছে ১৭ শতাংশ।

চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে চা রফতানি করে তুরস্কের রফতানিকারকরা সব মিলিয়ে ১ কোটি ৫৪ লাখ ডলার আয় করেছে। এক বছরের ব্যবধানে পানীয় পণ্যটির রফতানি বাবদ আয়ও ১৭ শতাংশ বেড়েছে।

জানুয়ারি-নভেম্বর সময়ে তুরস্ক থেকে ১০০টির বেশি দেশে চা রফতানি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চা রফতানি হয়েছে ইউরোপের দেশ বেলজিয়ামে। চলতি বছরের প্রথম ১১ মাসে বেলজিয়ামের বাজারে চা রফতানি করে সব মিলিয়ে ৪৮ লাখ ডলার আয় করেছে তুরস্ক। বেলজিয়ামের পরে গত ১১ মাসে তুরস্ক থেকে সবচেয়ে বেশি চা রফতানি হয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও নেদারল্যান্ডসে।

এ বিষয়ে ইস্টার্ন ব্ল্যাক সি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ হামদি গুরদোয়ান বলেন, করোনা মহামারীর মধ্যে চা রফতানিতে প্রবৃদ্ধি ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবেলা করা সম্ভব হয়েছে। এটা তুরস্কের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। মহামারীর মধ্যেও চলতি বছর শেষে তুরস্কের চা রফতানিতে চাঙ্গা ভাব বজায় থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যা বিশ্ববাজারে বিদ্যমান প্রতিযোগিতায় তুরস্কের এ রফতানিমুখী শিল্পটিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে দেবে।

বিজনেস নিউজ/এমআর

Please Share This Post in Your Social Media


Comments are closed.

© 2019 Businessnewsbs24.com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com