May 31, 2026, 9:51 am
বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও খুলনাঞ্চল থেকে চিংড়ি রফতানি স্বাভাবিক রয়েছে। সর্বশেষ অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম চারমাসে কিছুটা বেশি চিংড়ি ইউরোপের বাজারে গেছে। তবে অধিকাংশ রফতানিকারক বলছেন, এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে চিংড়ি চাষি, রফতানিকারক ও মৎস্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট নীতি নির্ধারকদের সমন্বিতভাবে দ্রুত কাজ করতে হবে।
গত অর্থ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে বিশ্বজুড়ে করোনা পরিস্থিতির ধাক্কায় চিংড়িসহ হিমায়িত মৎস্য খাতে রফতানিতে এক প্রকার ধস নামে। তবে ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি সামলে উঠেছে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রফতানি খাত হিমায়িত মৎস্য শিল্প।
মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছর জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ইউরোপের বাজারে চিংড়ি রপ্তানি হয়েছে ১৪ হাজার ৪৪ মেট্রিক টন। যার মূল্য এক হাজার ৮২ কোটি টাকা। গত অর্থ বছরে ছিল ১২ হাজার একশ ৫১ মেট্রিক টন।
খুলনার মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দফতরের উপ-পরিচালক মো. মজিনুর রহমান বলেন, গত বছরের সঙ্গে তুলনা করলে এবার অর্থবছরে একই সময়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রফতানি হয়েছে দুই হাজার মেট্রিক টন বেশি।

খুলনার মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ দফতরের কর্মকর্তা এটিএম তৌফিক মাহমুদ বলেন, প্রকোপ কমার পর থেকে আমাদের মৎস্য রফতানি ব্যবসা ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
অন্যদিকে রফতানিকারকরা বলছেন, প্রান্তিক চাষিদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলে এবং এ খাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে যোগাযোগ বাড়ালে চীন ও আমেরিকার বৃহৎ বাজার ধরা সম্ভব।
আছিয়া সী ফুডস্ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তরিকুল ইসলাম জহির বলেন, চীনের সঙ্গে রফতানিতে অনেক জটিলতা রয়েছে। তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধরণ অনেক কঠিন।
বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস্ এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের পরিচালক এস হুমায়ুন কবির বলেন, সরকার, অ্যাম্বাসি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো এক সঙ্গে জোড় দিলে এ ব্যবসা আরও প্রসারিত হবে।
গত অর্থ বছরে বাংলাদেশ থেকে হিমায়িত মৎস্য রফতানি হয় ৪ হাজার ৫শ’ কোটি টাকার। এর মধ্যে শুধুমাত্র খুলনা থেকে চিংড়ি রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার কোটি টাকা।
বিজনেস নিউজ/এসআর