May 25, 2026, 12:04 pm
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ও প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১টার দিকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথমবারের মতো অফিসে যোগ দিয়েছেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর এটিই ছিল তাদের প্রথম কর্মদিবস।
মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে মন্ত্রণালয়ে স্বাগত জানান বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান। দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম শুরু করলেন তারা।
অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয়—বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়—একসঙ্গে পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংসদ ভবনে তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন। ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া তার বাড়ি সিলেট নগরের তোপখানা এলাকায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী মুক্তাদির পেশায় ব্যবসায়ী।
২০১২ সাল থেকে সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত তিনি। ২০১৬ সাল থেকে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-1 আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
তার বাবা খন্দকার আব্দুল মালিক ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সিলেট-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
নতুন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি। তিনি বাণিজ্যের পাশাপাশি শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করবেন।
সাম্প্রতিক নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে প্রচারিত ‘আলমের ১ নং পচা সাবান’ টিভি বিজ্ঞাপনটি ব্যাপক পরিচিতি পায়। সেই সাবান কারখানা এখনো তাদের পারিবারিক ব্যবসার অংশ। এছাড়া ‘পচা শু কোম্পানি’ নামে আরেকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কক্সবাজারে তাদের মালিকানাধীন ‘লং বিচ’ নামের একটি বহুতল হোটেলও রয়েছে।
নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট খাতে নীতিগত ও কাঠামোগত কী পরিবর্তন আসে—এখন সে দিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
ইএটি