August 20, 2026, 3:46 am
সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেছেন, এ দেশের অবহেলিত, পশ্চাৎপদ ও উপেক্ষিত অসহায় মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধু সর্বপ্রথম সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ চালু করেছিলেন।
মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ১৯৭৪ সালে তার প্রবর্তিত ‘সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ জাগরণী সপ্তাহ’র (১৪-২১ ডিসেম্বর) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর সরাসরি নির্দেশনায় ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে জিওবি তহবিল থেকে ৪৩ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধু প্রবর্তিত সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রমকে গুরুত্ব দিয়ে বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে থাকেন। ২০১১-২০১২ অর্থ বছর থেকে এ খাতে প্রতি বছরই নিয়মিত বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ (২০১১-১২ হতে ২০২০-২১ পর্যন্ত) বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩৪০ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ১৯৭৪ সাল থেকে এ খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ৫০৫ কোটি ২৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা।
মন্ত্রী জানান, এ কর্মসূচির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে ৩৩ লাখ ২৫ হাজার ৫১১টি পরিবারকে বিভিন্ন স্কিমের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলা হয়েছে। বর্তমানে এ কার্যক্রমের আওতায় ৯ লাখ ৬৮ হাজার ২৭৬টি পরিবার সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা নিচ্ছেন। চলতি ২০২১-২০২২ অর্থ বছরেও ২৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহফুজা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ রফিকুল ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ ঋণ ধারাবাহিকভাবে যাতে সবাই পায় বঙ্গবন্ধু সে ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি কৃষিতে সমবায় পদ্ধতি চালু ও গ্রামীণ এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন করেছিলেন।
সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণ (আরএসএস) কার্যক্রম ছাড়াও পল্লী মাতৃকেন্দ্র (আরএমসি), দগ্ধ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রম ও শহর সমাজসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে সুদমুক্ত ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা রয়েছে।