May 31, 2026, 6:50 am
করোনাভাইরাসের প্রকোপ কমার পর দেশে গম ও খাওয়ার মসলা ছাড়া সব ধরনের পণ্য আমদানি বেড়েছে। গত জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৫৬ শতাংশ। এ সময় আমদানি হয়েছে ১ হাজার ৮৭২ কোটি ডলারের পণ্য। গত বছরের একই সময়ে আমদানি হয়েছিল ১ হাজার ২৬৮ কোটি ডলারের পণ্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য মিলেছে। প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করা হয়েছে কাস্টমসের তথ্যের ভিত্তিতে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ৫৪ কোটি ডলারের চাল ও গম আমদানি হয়। গত বছরের একই সময়ে আমদানি হয় ৪৫ কোটি ডলারের খাদ্যপণ্য। গত বছরের তুলনায় চলতি বছর চাল আমদানি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে, তবে কমেছে গম আমদানি।
চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মসলা, তেল, চিনিসহ বিভিন্ন ভোগ্যপণ্য আমদানি হয় ১১৬ কোটি ডলারের, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৮২ কোটি ডলার।
চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে পেট্রোলিয়াম, পোশাক খাত, ওষুধ ও প্লাস্টিক খাতের পণ্য আমদানি হয় ১ হাজার ১৪৮ কোটি ডলারের, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ৭৪২ কোটি ডলার।
চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে মূলধনি যন্ত্র ও মূলধনি যন্ত্র আমদানি হয় ৩৬৯ কোটি ডলারের, গত বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৬৩ কোটি ডলারের।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যেসব পণ্য আমদানি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে, তার মধ্যে আছে চাল, অপরিশোধিত জ্বালানি, সুতা ও ওষুধ খাতের বিভিন্ন পণ্য ও সার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এখন পণ্য আমদানি আরও বেড়েছে। পণ্যের দাম ও পরিবহন ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় আমদানি খরচ আরও বেড়েছে। এতে রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে।