August 24, 2026, 6:42 pm
বাংলাদেশের দেওয়া ১৫৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত শুরু করে ওমান। বেকায়দায় ফেলে দেয় টাইগারদের। আশা-নিরাশার দোলাচলে দুলতে দুলতে শেষ পর্যন্ত রিয়াদের নৌকা পাড়ে ঠেকল। জয় পেল বাংলাদেশ। অবশ্য জয়ে অনেক বড় অবদান সাকিব আল হাসানের।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যাচ মিসের কারণে যতিন্দর সিং রীতিমতো বিপদজনকই হয়ে উঠেছিলেন। তাকে ফেরালেন সাকিব আল হাসান। দলেও কিছুটা স্বস্তি ফিরল তাতে। তবে সাকিবের বোলিং তোপে দাঁড়াতে পারেনি আয়ান খান, নাসিম খুশিও। সাকিবের জোড়া আঘাতের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন তারা। অপর দিকে ব্যাট হাতে সাকিবের রান ৪২। ফলে বলাই চলে এই জয়ে বড় অবদান রেখেছেন সাকিব।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের মতোই আজ ওমানের বিপক্ষেও শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে টাইগাররা। মাত্র ২১ রান তুলতেই পতন ঘটে ২ উইকেটের। জঘরমুখো হন লিটন দাস ( ৬) ও শেখ মেহেদী হাসান (০)। এই ধাক্কা দ্রুতই সামলে নেন নাইম ও সাকিব আল হাসান। নাইম কিছুটা শ্লথ থাকলেও অন্যপ্রান্ত থেকে টি-টোয়েন্টি মেজাজেই ব্যাট করেন সাকিব। তৃতীয় উইকেটে ৫৪ বলের জুটিতে ৮০ রান যোগ করেন দুজনে। ওমানের পেস বোলারদের ঘন ঘন সীমানা ছাড়া করে চাপ কাটান সাকিব। তবে তার ইনিংসটি পূর্ণতা পায়নি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রানআউট হয়ে যান সাকিব। তার ব্যাট থেকে ৪২ রান আসে মাত্র ২৮ বলের কনকর্ডে চড়ে। সাজানো ইনিংসটিতে বাউন্ডারি মারেন ছয়টি।
সাকিব আউট হওয়ার পর হাত খোলেন নাইম। একপ্রান্ত থেকে উইকেটপতন অব্যাহত থাকলেও রানের গতি থামাননি নাইম। যতক্ষণে তিনি আউট হলেন ততক্ষণে বোলারদের লড়াই করার মতো পুঁজি পেয়ে যায় বাংলাদেশ। তার আউট হওয়ার সময় বাংলাদেশের স্কোর বোর্ডে ১৬.৪ ওভারে ১২২/৬। তার দুর্দান্ত ইনিংসটিতে তিনটি বাউন্ডারির সঙ্গে চারটি ছক্কার মার। নাইমের বিদায়ের পর হাল ধরেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১০ বলের ইনিংসে ১৭ রান করেন টাইগার অধিনায়ক। তিনি শেষ পর্যন্ত উইকেটে থাকতে পারলে দলের স্কোর যে আরও সমৃদ্ধ হতো তা বলাই বাহুল্য। বাংলাদেশ ইনিংসের ৩ বল বাকি থাকতে আউট হন টাইগার অধিনায়ক। শেষ ৩ বল থেকে যোগ হয় ২ রান। বাংলাদেশ অলআউট হয় ইনিংসের শেষ বলে। শেষ ব্যাটার হিসেবে সাজঘরমুখো হন মোস্তাফিজুর রহমান (২)।
টাইগাররা দেড়শোর্ধ্ব রান করলেও ব্যাটিং ব্যর্থতার অভিযোগ থেকে কিন্তু মুক্তি মেলেনি। কেননা দলের আট আটজন ব্যাটসম্যান পাননি দুই অঙ্কের ঘরের নাগাল। ওমানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন পেসার বিলাল খান। ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট।