May 30, 2026, 10:51 am
কাশ্মীর সীমান্তে ভারত ও পাকিস্তানের সেনাদের লড়াইয়ে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১০ জনই বেসামরিক নাগরিক।
শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) সীমান্তের কেরান সেক্টরে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষের সৈন্যসহ দুই ডজনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
ব্যাপক বিবাদপূর্ণ এই সীমান্তে দুই দেশের সামরিক বাহিনী পরস্পরের অবস্থান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র, মর্টার শেল নিক্ষেপ করলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবরে বলা হয়, দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের মধ্যে কয়েক বছরের মধ্যে এটাই ভয়াবহ লড়াই।
ভারতীয় কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়, সংঘর্ষে ভারতের ছয়জন বেসামরিক নাগরিক, তিনজন সেনা ও একজন সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্য নিহত হয়েছেন।
পাকিস্তান বলছে, সংঘর্ষে পাকিস্তানের চার বেসামরিক ও এক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরের নীলম উপত্যকা অঞ্চলে আরও দুজন আহত হয়েছেন।
এদিকে, নীলম উপত্যকাজুড়েই মৃত্যু ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানির এক কর্মকর্তা।
এ ঘটনার জন্য পরস্পরকে দায়ী করছে দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক শক্তিধর দু’দেশ।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এ ঘটনায় প্রতিবাদ জানাতে ভারতের এক প্রবীণ কূটনীতিককে তলব করেছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
নিয়ন্ত্রণরেখায় দুই পক্ষের লড়াইয়ে তিন ভারতীয় সেনা ও তিন জঙ্গি নিহত হওয়ার পাঁচ দিন পর সবশেষ ভয়াবহ এ লড়াইয়ে জড়ায় ভারত ও পাকিস্তান।
১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্মের সময় কাশ্মীর বিভক্ত হয়ে দুই দেশের অংশেই পড়ে। কিন্তু দুই দেশই পুরো কাশ্মীরকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। এটা নিয়ে দুই পক্ষ এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধে জড়িয়েছে।