May 18, 2026, 12:40 am
ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) লটারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা নেয়া ওয়ালটন হাইটেক পার্কের আইপিও বিজয়ীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
আজ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) লটারির মাধ্যমে আইপিও বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়।
এর আগে গত ২৩ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় কোম্পানিটিকে আইপিওতে শেয়ার ছাড়ার অনুমোদন দেয়া হয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ফলে বুক-বিল্ডিং পদ্ধতিতে ২৯ লাখ ২৮ হাজার ৩৪৩টি সাধারণ শেয়ার প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে ইস্যু করেছে ওয়ালটন। এর মধ্যে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার ৩৬৭টি সাধারণ শেয়ার যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ে তাদের প্রস্তাব করা দামে কিনছেন।
বাকি ১৫ লাখ ৪৮ হাজার ৯৭৬টি সাধারণ শেয়ার ২৫২ টাকা মূল্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীর (অনাবাসী বাংলাদেশিসহ) কাছে বিক্রির জন্য আইপিও আবেদন সংগ্রহ করা হয়। ৯ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত কোম্পানিটির শেয়ার পেতে আইপিওতে আবেদন করেন বিনিয়োগকারীরা।
অর্থাৎ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিতি ছিল ৩৯ কোটি তিন লাখ টাকার শেয়ার। এ শেয়ার পেতে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৩৭৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকার আবেদন পড়ে। এ হিসাবে আইপিওতে আবেদন বেশি পড়ে ৯ দশমিক ৫৯ গুণ। যে কারণে আইপিও বিজয়ী নির্ধারণে লটারি করতে হয়।
ব্যবসা সম্প্রসারণ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ এবং প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের খরচ মেটাতে শেয়ারবাজার থেকে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের জন্য গত ৭ জানুয়ারি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজকে বিডিংয়ে অংশ নেয়ার অনুমোদন দেয়।
এ অনুমোদনের ফলে কাট-অফ প্রাইস নির্ধারণে গত ২ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে ৫ মার্চ বিকাল ৫টা পর্যন্ত যোগ্য বিনিয়োগকারীরা বিডিংয়ে অংশ নেন। এ সময়ের মধ্যে বিডিংয়ে অংশ নেন ২৩৩ জন। বিনিয়োগকারীরা সর্বনিম্ন ১২ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৬৫ টাকা করে ওয়ালটনের শেয়ার কেনার প্রস্তাব দেন।
এর মধ্যে সব থেকে বেশিসংখ্যক যোগ্য বিনিয়োগকারী ওয়ালটনের প্রতিটি শেয়ারের জন্য ২১০ টাকা দাম প্রস্তাব করেন। এ দামে ১৪ বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চসংখ্যক বিনিয়োগকারী দাম প্রস্তাব করেন ১৫০ টাকা করে। এই দামে ১০ বিনিয়োগকারী কোম্পানিটির শেয়ার কেনার আগ্রহ দেখান।
বিডিংয়ে বরাদ্দকৃত ৬০ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ারের জন্য ৩১৫ টাকার ওপর বিডিং হয়। ফলে কাট-অফ প্রাইস হিসাবে ৩১৫ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। ৩১৫ টাকা বা তার বেশি দামে ওয়ালটনের শেয়ার কেনার আগ্রহ দেখান ৬৭ যোগ্য বিনিয়োগকারী।
বিএসইসি জানিয়েছে, ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির পুনঃমূল্যায়ন সঞ্চিতিসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ২৪৩ টাকা ১৬ পয়সা এবং পুনঃমূল্যায়ন সঞ্চিতি ছাড়া নিট সম্পদ মূল্য ১৩৮ টাকা ৫৩ পয়সা। বিগত পাঁচটি অর্থবছরে ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় ২৮ টাকা ৪২ পয়সা।