May 30, 2026, 2:01 pm
দেশের পুঁজিবাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসছে। বাড়ছে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ। আর এর রেশ ছিল গত সপ্তাহের পুরোটা সময় জুড়ে। সপ্তাহের লেনদেনও শেষ হয়েছে সব সূচকের উর্ধমুখী ধারায়। তবে সপ্তাহের মাঝখানে দুদিন বাজারে মূল্য সংশোধন হয়েছে।
আলোচিত সপ্তাহে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) আগের সপ্তাহের চেয়ে বেশি টাকা মূল্যের শেয়ার কেনা বেচা হয়েছে। একইসঙ্গে বেড়েছে সবগুলো মূল্যসূচক।
লেনদেনে একই ধারা ছিল দেশের অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)।
লেনদেনের সাপ্তাহিক তথ্য-পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে এই চিত্র পাওয়া গেছে।
আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে ৫ হাজার ৮৯৮ কোটি ৯ লাখ টাকার মূল্যের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫০৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।
সপ্তাহের ব্যবধানে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়ে এক হাজার ১৭৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে এক হাজার ১২৬ কোটি ২২ লাখ টাকায় উন্নীত হয়। আগের সপ্তাহের চেয়ে লেনদেন বাড়ে ৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স এর অবস্থান দাঁড়ায় ৪ হাজার ৭০৩ দশমিক ৩২ পয়েন্ট। সপ্তাহের শুরুতে সূচকটির অবস্থান ছিল ৪ হাজার ৭৯৪ দশমিক ০৭ পয়েন্টে। সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ৯০ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ডিএসইর সেরা ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএসই-৩০ এক সপ্তাহের ব্যবধানে ১ হাজার ৫৯৪ দশমিক ৩১ পয়েন্ট থেকে ১ হাজার ৬৪৭ দশমিক ৭ পয়েন্টে উঠে আসে।
আর ডিএসই শরীয়াহ সূচক ডিএসইএস ১ হাজার ৮৮ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট থেকে বেড়ে হয়েছে এক হাজার ১ হাজার ১০০ দশমিক ৩৪ পয়েন্ট।
আলোচিত সপ্তাহে ডিএসইতে ৩৫৯টি কোম্পানির শেয়ার শেয়ার কেনাবেচা হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৮২টির বা ৫০ দশমিক ৬৯ শতাংশ কোম্পানির। আর ৪৫ দশমিক ১২ শতাংশ বা ১৬২ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। এ সময়ে ১৫ টি কোম্পানির শেয়ারের দাম ছিল অপরিবর্তিত