August 22, 2026, 5:04 pm
কারখানা বন্ধ থাকা ও লভ্যাংশ না দেওয়াসহ নানা কারণে এক যুগ আগে পুঁজিবাজার থেকে তালিকাচ্যুত সাতটি কোম্পানি উৎপাদনে ফিরছে। বর্তমানে ওভার দ্যা কাউন্টার মার্কেটে (ওটিসি) থাকা এ কোম্পানিগুলো পুরোদমে উৎপাদন শুরু করেছে। ফলে কোম্পানিগুলোকে ওটিসি থেকে স্বল্পমূলধনী কোম্পানির জন্য গঠিত এসএমই বোর্ডে স্থানান্তর করা হচ্ছে।
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) প্রত্যাশা, কোম্পানিগুলো লোকসান কাটিয়ে মুনাফায় ফিরবে। এরপর শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেবে। ভালো পারফরমেন্স দেখাতে পারলে দ্রুত মূল মার্কেটে ফেরানো হবে কোম্পানিগুলোকে। আর তাতে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ভোগান্তি ও অনিশ্চয়তায় দিন পার করা ৬ কোটি ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৮০০টি শেয়ারধারী বিনিয়োগকারীর সুদিন ফিরবে।
কোম্পানিগুলো হচ্ছে- এপেক্স ওয়েভিং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস লিমিটেড, বাংলাদেশ হোটেলস, বেঙ্গল বিস্কুট লিমিটেড, গাচি হাটা একিউকালচার ফার্মস লিমিটেড, হিমাদ্রী লিমিটেড, ওয়ান্ডারল্যান্ড টয় লিমিটেড এবং ইউসুফ ফ্লাওয়ার মিলস লিমিটেড।
এ বিষয়ে বিএসইসির কমিশনার অধ্যাপক শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, পুঁজিবাজারে আমরা কোনো ঝামেলা রাখছি না। আমারা চেষ্টা করছি, যারা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ নিয়েছে, তাদের জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া কোম্পানিগুলো শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ দেবে না, তা হবে না। এ লক্ষ্য সামনে রেখে ওটিসি মার্কেটে থাকা কোম্পানিগুলোকে তদারকি করছি, এরই মধ্যে সাতটি কোম্পানি উৎপাদনে ফিরেছে। আর কিছু কোম্পানির উৎপাদন শুরু করবে, প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, এ সাত কোম্পানি দ্রুত মুনাফায় ফিরবে, কোম্পানিগুলো নিজেদের সমস্যা সমাধান করে শেয়ারহোল্ডারদের বছর শেষে লভ্যাংশ দেবে বলে আমি মনে করি। এজন্য ওটিসি থেকে এসএমই বোর্ডে স্থানান্তর করছি। এখানে ভালো পারফরমেন্স করলে আবারও মূল মার্কেটে নিয়ে আসব।
বিএসইসির উদ্যোগটি ভালো বলে মন্তব্য করেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ও বিএসইসির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিএসইসির এ উদ্যোগটি আরও আগে নেওয়া উচিত ছিল। কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন ভালোভাবে দেখভালের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।