August 20, 2026, 12:22 am
কোভিড-১৯ এ আমাদের অর্থনীতিতে একটা ধাক্কা দিয়েছে। পুঁজিবাজারেও তার প্রভাব পড়েছে উল্লেখ করে বেসরকারি গবেষনা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে মোবাইল বেইজ প্লাটফরমগুলো আরও ভালো করতে হবে। কারণ ইনভেস্টররা যাতে দ্রুত ও সহজে বিনিয়োগ করতে পারে। কোভিড-১৯এর এই অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের অনেক সুবিধা হবে।
আজ সোমবার (০৫অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব-বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উপলক্ষে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,সপ্তপঞ্চবার্ষিকীর পরিকল্পনা অনুসারে,২০৪১ বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে আগামী ২১ বছর গড়ে ১০ শতাংশ হারে গ্রৌথ করতে হবে। অর্থাৎ ৮গুণ প্রবৃদ্ধি বাড়বে। ম্যাজিক প্রবৃদ্ধি করে হবে। সেটার জন্য বাংলাদেশে উন্নত পুঁজিবাজার গঠন করতে হবে।
ওয়েল ফান্ডেশনের ক্যাপিটাল মার্কেট গঠন করতে হবে। তাতে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সংক্রিয় অংশগ্রহন থাকবে উল্লেখ করে তিনি মোস্তাফিজ বলেন,বর্তমান কমিশন গঠনের পর বেশ কিছু ভালো কাজ করছে। এখানে বন্ড মার্কেট নেই। বর্তমানে বন্ড মার্টেক চালু হচ্ছে। বিমা কোম্পানিগুলো আনতে কমিশন কাজ করছে। কোম্পানিগুলোও আসছে। এই অবস্থায় প্রয়োজন পুঁজিবাজারে মোবাইল প্লাটফরমগুলো আরও ভালো করতে হবে।
১৯৯৬ ও ২০১০ সালের ধস দেখেছি। পুঁজিবাজারে এমন পরিস্থিত আর দেখতে চাই না বলে জানান তিনি।
অধ্যাপক হোসেন সামাদ বলেন, কোভিডের ধাক্কা সামলাতে বিদেশে রফতানি বাড়তে হবে। দেশে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে হবে।বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে যে সমস্ত দেশের কোভিডে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রাইরটি দিতে হবে।
‘বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা: ব্যবসায় এবং তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ এর প্রভাব’ বিষয়ক এই ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবায়াত-উল- ইসলাম। এতে বক্তব্য রাখেন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ, পরামর্শদাতা হুসেইন সামাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, বিএসইসি’র কমিশনার মো. আবদুল হালিম, ড. মো. মিজানুর রহমান, ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমেদ, খোন্দকার কামালুজ্জামান।
মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, যেসব কোম্পানিগুলো বাজারে আসার কথা ছিলো তারা আসেনি। যারা আসার কথা ছিলো না তারা আসেনি। ইনভেস্টমেন্টের প্রোডাক্টের ঘাটতি ছিলো সেটা পূরণ করা হচ্ছে। কমিশন এরই মধ্যে বন্ড মার্কেট চালু করেছে। বেশ কিছু বন্ডও অনুমোদন দিয়েছে।